সনাতন ধর্মের সুনির্বাচিত বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কিছু শ্লোকঃ-

জ্ঞান-ই শক্তি ! নিজের ধর্ম সম্পর্কে আগে ভালোভাবে জানুন এবং অন্যকেও জানতে উৎসাহিত করুন।

Krishna vs Arjun @ Gita






Bhogoban Krishner Picture
  • For Ad Contact
    0183 45 45 989


















  • Bhogoban Krishner Picture
  • For Ad Contact
    0183 45 45 989
  • চৈতন্য চরিতামৃত থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক


  • শ্লোক:

    'সাধুসঙ্গ', 'সাধুসঙ্গ' - সর্বশাস্ত্রে কয় ।
    লবমাত্র সাধুসঙ্গে সর্বসিদ্ধি হয় ।।
    (চৈঃ চঃ মধ্য ২২/৫৪)

  • অনুবাদঃ- সমস্ত শাস্ত্রের সিদ্ধান্ত হচ্ছে যে, শুদ্ধ ভক্তের সঙ্গ যদি মুহূর্তের জন্যও লাভ করা যায়, তা হলেই সর্বসিদ্ধি লাভ হয়।



  • শ্লোক:

    কৃষ্ণভক্ত- নিষ্কাম, অতএব 'শান্ত' ।
    ভুক্তি-মুক্তি-সিদ্ধি-কামী-- সকলি 'অশান্ত' ।।
    (চৈঃ চঃ মধ্য ১৯/১৪৯)

  • অনুবাদঃ- কৃষ্ণভক্ত নিষ্কাম বলেই শান্ত। সকাম কর্মীরা জড় ভোগ কামনা করেন, জ্ঞানীরা মুক্তি কামনা করেন, আর যোগীরা জড়-জাগতিক সিদ্ধি কামনা করেন। তাই এরা সকলেই কামার্ত ও অশান্ত।



  • শ্লোক:

    যাঁর চিত্তে কৃষ্ণপ্রেমা করয়ে উদয়।
    তাঁর বাক্য, ক্রিয়া, মুদ্রা বিজ্ঞেহ না বুঝয় ।।
    চৈঃ চঃ মধ্য ২৩/৩৯)

  • অনুবাদঃ- যাঁর চিত্তে কৃষ্ণপ্রেমের উদয় হয়, তাঁর কথাবার্তা, কার্যকলাপ এবং আচার-আচরণ বিজ্ঞেরাও বুঝতে পারেন না।



  • শ্লোক:

    'শ্রদ্ধা'-শব্দে- বিশ্বাস কহে সুদৃঢ় নিশ্চয় ।
    কৃষ্ণে ভক্তি কৈলে সর্বকর্ম কৃত হয় ।।
    (চৈঃ চঃ মধ্য ২২/৬২)

  • অনুবাদঃ- কৃষ্ণভক্তি সম্পাদিত হলে অন্য সমস্ত কর্ম আপনা থেকেই সম্পাদিত হয়ে যায়। এই সুদৃঢ় বিশ্বাসকে বলা হয় শ্রদ্ধা।



  • শ্লোক:

    কিবা বিপ্র, কিবা ন্যাসী, শূদ্র কেনে নয় ।
    যেই কৃষ্ণতত্ত্ববেত্তা, সেই 'গুরু' হয় ।।
    (চৈঃ চঃ মধ্য ৮/১২৮)

  • অনুবাদঃ- যিনি কৃষ্ণ-তত্ত্ববেত্তা তিনিই গুরু, তা তিনি ব্রাহ্মণ হোন, কিংবা সন্ন্যাসীই হোন অথবা শূদ্রই হোন, তাতে কিছুই যায় আসে না।



  • শ্লোক:

    'কে আমি', 'কেনে আমায় জারে তাপত্রয়' ।
    ইহা নাহি জানি-- 'কেমনে হিত হয়' ।।
    (চৈঃ চঃ মধ্য ২০/১০২)

  • অনুবাদঃ- আমি কে? কেন জড় জগতের তিনটি তাপ আমাকে নিরন্তর দুঃখ দেয়? আমি যদি তা না জানি, তা হলে কিভাবে আমার যথার্থ মঙ্গল সাধিত হবে?



  • শ্লোক:

    ব্রহ্মাণ্ড ভ্রমিতে কোন ভাগ্যবান জীব ।
    গুরু-কৃষ্ণ প্রসাদে পায় ভক্তিলতা-বীজ।।
    (চৈঃ চঃ মধ্য ১৯/১৫১)

  • অনুবাদঃ- জীব তার কর্ম অনুসারে ব্রহ্মাণ্ডে ভ্রমণ করে। কখনও সে উচ্চতর লোকে উন্নীত হয় এবং কখনও নিম্নতর লোকে অধঃপতিত হয়। এভাবেই ভ্রমণরত অসংখ্য জীবের মধ্যে কদাচিৎ কোন একটি জীব তার অসীম সৌভাগ্যের ফলে, শ্রীকৃষ্ণের কৃপায় সদগুরুর সান্নিধ্য লাভ করে। এভাবেই গুরু ও কৃষ্ণ, উভয়ের কৃপার প্রভাবে জীব ভক্তিলতার বীজ প্রাপ্ত হয়।



  • শ্লোক:

    কলিকালে নামরূপে কৃষ্ণ-অবতার ।
    নাম হৈতে হয় সর্বজগতৎ-নিস্তার ।।
    (চৈঃ চঃ আদি ১৭/২২)

  • অনুবাদঃ- এই কলিযুগে ভগবানের দিব্যনাম 'হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র' হচ্ছে শ্রীকৃষ্ণের অবতার। কেবলমাত্র এই দিব্যনাম গ্রহণ করার ফলে, যে কোন মানুষ সরাসরিভাবে ভগবানের সঙ্গ লাভ করতে পারেন। যিনি তা করেন, তিনি অবশ্যই উদ্ধার লাভ করেন। এই নামের প্রভাবেই কেবল সমস্ত জগৎ নিস্তার পেতে পারে।



  • শ্লোক:

    একলে ঈশ্বর কৃষ্ণ, আর সব ভৃত্য ।
    যারে যৈছে নাচায়, সে তৈছে করে নৃত্য ।।
    (চৈঃ চঃ আদি ৫/১৪২)

  • অনুবাদঃ- একমাত্র শ্রীকৃষ্ণই হচ্ছেন পরম ঈশ্বর এবং অন্য সকলেই তাঁর সেবক। তিনি যেভাবে নির্দেশ দেন, তাঁরা সেভাবেই নৃত্য করেন ।



  • শ্লোক:

    কৃষ্ণ- সূর্যসম; মায়া হয় অন্ধকার ।
    যাহাঁ কৃষ্ণ, তাহাঁ নাহি মায়ার অধিকার ।।
    (চৈঃ চঃ মধ্য ২২/৩১)

  • অনুবাদঃ- শ্রীকৃষ্ণকে সূর্যের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে এবং মায়াকে অন্ধকারের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। সূর্য-কিরণের প্রকাশ হলে যেমন আর সেখানে অন্ধকার থাকতে পারে না, তেমনই কেউ যদি কৃষ্ণভক্তির পন্থা অবলম্বন করেন, তখন মায়ার অন্ধকার তৎক্ষণাৎ সেখান থেকে দূর হয়ে যায়।



  • শ্লোক:

    কৃষ্ণ ভুলি' সেই জীব অনাদি- বহির্মুখ ।
    অতএব মায়া তারে দেয় সংসার-দুঃখ।।
    (চৈঃ চঃ মধ্য ২০/১১৭)

  • অনুবাদঃ- শ্রীকৃষ্ণকে ভুলে জীব অনাদিকাল ধরে জড়া প্রকৃতির প্রতি আকৃষ্ট হয়ে রয়েছে। তাই মায়া তাকে এই জড় জগতে নানা প্রকার দুঃখ প্রদান করছে ।



  • শ্লোক:

    আত্মেন্দ্রিয় প্রীতি-বাঞ্ছা- -তারে বলি, 'কাম' ।
    কৃষ্ণেন্দ্রিয়প্রীতি-ইচ্ছা ধরে 'প্রেম' নাম ।।
    (চৈঃ চঃ আদি ৪/১৬৫)

  • অনুবাদঃ- নিজের ইন্দ্রিয়-তৃপ্তির বাসনাকে বলা হয় কাম, আর শ্রীকৃষ্ণের ইন্দ্রিয়ের প্রীতি সাধনের ইচ্ছাকে বলা হয় প্রেম ।



  • শ্লোক:

    জীবের 'স্বরূপ' হয়- কৃষ্ণের 'নিত্যদাস' ।
    কৃষ্ণের 'তটস্থা-শক্তি,' 'ভেদাভেদ-প্রকাশ' ।।
    (চৈঃ চঃ মধ্য ২০/১০৮)

  • অনুবাদঃ- জীব তার স্বরূপে শ্রীকৃষ্ণের নিত্যদাস। সে শ্রীকৃষ্ণের তটস্থা শক্তি, তাই সে যুগপৎ শ্রীকৃষ্ণের ভেদ ও অভেদ প্রকাশ।



  • শ্লোক:

    গ্রাম্যকথা না শুনিবে, গ্রাম্যবার্তা না কহিবে ।
    ভাল না খাইবে আর ভাল না পরিবে ।।
    (চৈঃ চঃ অন্ত্য ৬/২৩৬)

  • অনুবাদঃ- জড়-জাগতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে না এবং সেই সমস্ত বিষয়ে শ্রবণ করবে না। ভাল খাবার খাবে না এবং ভাল কাপড় পরবে না। (রঘুনাথ দাস গোস্বামীর প্রতি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর উপদেশ)

  • (সূত্রঃ- বৈষ্ণব শ্লোকাবলী) এরপর দেখুন= পূরাণ থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক

  • সুনির্বাচিত শ্লোকঃ-

    সাইট-টি আপনার ভাল নাও লাগতে পারে, তবুও লাইক দিয়ে উৎসাহিত করুনঃ

    শেয়ার করে প্রচারে অবদান রাখতে পারেন

    Say something

    Please enter name.
    Please enter valid email adress.
    Please enter your comment.