সনাতন ধর্মের সুনির্বাচিত বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কিছু শ্লোকঃ-

জ্ঞান-ই শক্তি ! নিজের ধর্ম সম্পর্কে আগে ভালোভাবে জানুন এবং অন্যকেও জানতে উৎসাহিত করুন।

Krishna vs Arjun @ Gita






Bhogoban Krishner Picture
  • For Ad Contact
    0183 45 45 989


















  • Bhogoban Krishner Picture
  • For Ad Contact
    0183 45 45 989
  • জপ কীর্তন সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক


  • শ্লোক:

    হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে ।
    হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।
    ইতি ষোড়শকং নাম্নাং কলিকল্মষনাশনম্।
    নাতঃ পরতরোপায়ঃ সর্ববেদেষু দৃশ্যতে।।

    (কলিসন্তরণ উপনিষদ)

  • অনুবাদঃ- হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্রের এই ষোলটি নাম বিশেষত কলিযুগের পাপ নাশের জন্যই উদ্দিষ্ট। নিজেকে কলিযুগের কলুষ থেকে মুক্ত রাখতে হলে এই হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্তন করার মতো অন্য আর কোন উপায় নেই। যুগধর্ম হিসাবে হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্তন করার মতো অন্য কোন মহান পন্থা সমস্ত বৈদিক গ্রন্থে অনুসন্ধান করেও খুঁজে পাওয়া যায় না।
    ( প্রজাপতি ব্রহ্মা )

  • শ্লোক:

    জীবন অনিত্য জানহ সার,
    তাহে নানাবিধ বিপদ ভার।
    নামাশ্রয় করি' যতনে তুমি,
    থাকহ আপন কাজে।।
    (ভক্তিবিনোদ ঠাকুর)

  • অনুবাদ:- অনুবাদঃ- এই সার কথা জেনে রাখা উচিত যে, এই জীবন অনিত্য এবং বহু বিপদ ও দুঃখে পরিপূর্ণ। তাই যত্ন সহকারে হরিনামকে আশ্রয় করে কৃষ্ণসেবায় নিযুক্ত থাকতে হবে।

  • শ্লোক:

    একবার হরি নামে যত পাপ হরে।
    পাপীর সাধ্য নাই তত পাপ করে ।।

  • অনুবাদ:- একবার মাত্র শুদ্ধভাবে হরিনাম করলে যত পাপ হরণ হয়, তত পাপ করার সাধ্য কোন পাপীর নেই।

  • শ্লোক:

    নাম্নো হি যাবতী শক্তিঃ পাপ-নির্হরণে হরেঃ।
    তাবৎ কর্তুং ন শক্নোতি পাতকং পাতকী নরঃ ।।
    (বৃহদ্ বিষ্ণু পুরাণ)

  • অনুবাদঃ- শুধুমাত্র হরিনাম কীর্তন বা জপ করার ফলে একজন পাতকী যত পাপ দূর করতে পারে, তত পাপ করার সামর্থ্যও তার নেই।

  • শ্লোক:

    তস্মাৎ সঙ্কীর্তনং বিষ্ণোর্জগন্মঙ্গলমংহসাম্।
    মহতামপি কৌরব্য বিদ্ধ্যৈকান্তিকনিষ্কৃতম্।।
    (ভাগবত ৬/৩/৩১)

  • অনুবাদঃ- হে কুরুরাজ, হরিনাম সংকীর্তন এমন কি মহাপাপের ফলকেও নির্মূল করতে পারে। তাই হরিনাম সংকীর্তনই হচ্ছে জগতের সবচেয়ে মঙ্গলময় অনুষ্ঠান। অনুগ্রহ করে তা হৃদয়ঙ্গম করুন যাতে অন্যেরাও তা নিষ্ঠাভরে গ্রহণ করে।

  • শ্লোক:

    চেতোদর্পণমার্জনং ভবমহাদাবাগ্নিনির্বাপণং
    শ্রেয়ঃকৈরবচন্দ্রিকাবিতরণং বিদ্যাবধূজীবনম্ ।
    আনন্দাম্বুধিবর্ধনং প্রতিপদং পূর্ণামৃতাস্বাদনং
    সর্বাত্মস্নপনং পরং বিজয়তে শ্রীকৃষ্ণসঙ্কীর্তনম্ ।। (শিক্ষাষ্টক-১)

  • অনুবাদঃ- চিত্তরূপ দর্পনের মার্জনকারী, ভবরূপ মহাদাবাগ্নি নির্বাপণকারী, জীবের মঙ্গলরূপ কৈরবচন্দ্রিকা বিতরণকারী, বিদ্যাবধূর জীবনস্বরূপ, আনন্দ-সমুদ্রের বর্ধনকারী, পদে পদে পূর্ণ অমৃত আস্বাদন-স্বরূপ এবং সর্ব স্বরূপের শীতলকারী শ্রীকৃষ্ণসঙ্কীর্তন বিশেষভাবে জয়যুক্ত হোন।

  • শ্লোক:

    হরের্নাম হরের্নাম হরের্নামৈব কেবলম্ ।
    কলৌ নাস্ত্যেব নাস্ত্যেব নাস্ত্যেব গতিরন্যথা ।। (বৃহন্নারদীয় পূরাণ ৩/৮/১২৬)

  • অনুবাদঃ- এই কলিযুগে ভগবানের দিব্য নাম কীর্তন করা ছাড়া আর অন্য কোন গতি নেই, আর অন্য কোন গতি নেই, আর অন্য কোন গতি নেই ।

  • শ্লোক:

    নয়নং গলদশ্রুধারয়া বদনং গদ্ গদরুদ্ধয়া গিরা ।
    পুলকৈর্নিচিতং বপুঃ কদা তব নামগ্রহণে ভবিষ্যতি ।।
    (শিক্ষাষ্টক-৬)

  • অনুবাদঃ- হে প্রভু ! তোমার নাম গ্রহণে কবে আমার নয়নযুগল গলদশ্রুধারায় শোভিত হবে? বাক্য নিঃসরণ সময়ে বদনে গদ্ গদ স্বর বের হবে এবং আমার সমস্ত শরীর পুলকাঞ্চিত হবে?

  • শ্লোক:

    নাম্নামকারি বহুধা নিজসর্বশক্তি-
    স্তত্রার্পিতা নিয়মিতঃ স্মরণে ন কালঃ ।
    এতাদৃশী তব কৃপা ভগবন্মাপি
    দুর্দৈবমীদৃশমিহাজনি নানুরাগঃ ।।
    (শিক্ষাষ্টক -২)

  • অনুবাদঃ- হে পরমেশ্বর ভগবান ! তোমার নামই জীবের সর্বমঙ্গল বিধান করেন, এই জন্য তোমার 'কৃষ্ণ', 'গোবিন্দ' আদি বহুবিধ নাম তুমি বিস্তার করেছ। সেই নামে তুমি তোমার সর্বশক্তি অর্পণ করেছ এবং সেই নাম স্মরণের স্থান-কাল-পাত্র আদির কোন রকম বিধি বা বিচার করনি। হে প্রভু ! জীবের প্রতি এভাবেই কৃপা করে তুমি তোমার নামকে সুলভ করেছ, তবুও আমার এমনই দুর্দৈব যে, সেই নাম গ্রহণ করার সময় আমি অপরাধ করি এবং তার ফলে তোমার সুলভ নামেও আমার অনুরাগ জন্মায় না।

  • শ্লোক:

    নাম-অক্ষর বাহির হয় বটে, নাম নাহি হয়।
    (ভক্তিবিনোদ ঠাকুর)

  • অনুবাদঃ- হরিনাম যান্ত্রিকভাবে উচ্চারণ করলে, মুখে যদিও হরে কৃষ্ণ উচ্চারণ হচ্ছে, প্রকৃত শুদ্ধ নাম তা কখনই নয়।

  • শ্লোক:

    তৃণাদপি সুনীচেন তরোরিব সহিষ্ণুনা ।
    অমানিনা মানদেন কীর্তনীয়ঃ সদা হরিঃ ।।
    (শিক্ষাষ্টক -৩)

  • অনুবাদঃ- যিনি নিজেকে সকলের পদদলিত তৃণের থেকেও ক্ষুদ্র বলে মনে করেন, যিনি বৃক্ষের মতো সহিষ্ণু, যিনি মান শূন্য এবং অন্য সকলকে সম্মান প্রদর্শন করেন, তিনি সর্বক্ষণ ভগবানের দিব্যনাম কীর্তনের অধিকারী।

  • শ্লোক:

    দুষ্ট মন ! তুমি কিসের বৈষ্ণব ?
    প্রতিষ্ঠার তরে , নির্জনের ঘরে ,
    তব 'হরিনাম' কেবল 'কৈতব'। (ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী)

  • অনুবাদঃ- হে দুষ্ট মন! তুমি কি রকম বৈষ্ণব ? সস্তা প্রতিষ্ঠার লোভে তুমি নির্জনে বসে হরিনাম করার ভান করছ, কিন্তু তোমার এই নির্জন ভজন শুধু প্রতারণা মাত্র ।

  • শ্লোক:

    নামাপরাধযুক্তানাং নামান্যেব হরন্ত্যঘম্ ।
    অবিশ্রান্তিপ্রযুক্তানি তান্যেবার্থকরাণি চ ।।
    (পদ্ম পূরাণ)

  • অনুবাদঃ- হরিনামের প্রতি যারা অপরাধ করে, তাদেরও হরে কৃষ্ণ নাম জপের বিধান দেওয়া হয়েছে, কারণ তারা যদি জপ করে চলে, ক্রমে ক্রমে তারা নিরপরাধে জপ করতে পারবে। শুরুতে যদিও বা অপরাধ হয়, তবুও পুনঃপুনঃ জপের ফলে সেই সব অপরাধ থেকে মুক্ত হওয়া যায়।
  • (সূত্রঃ- বৈষ্ণব শ্লোকাবলী) এরপর দেখুন= আচার-আচরণ সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
  • সুনির্বাচিত শ্লোকঃ-

    সাইট-টি আপনার ভাল নাও লাগতে পারে, তবুও লাইক দিয়ে উৎসাহিত করুনঃ

    শেয়ার করে প্রচারে অবদান রাখতে পারেন

    Say something

    Please enter name.
    Please enter valid email adress.
    Please enter your comment.