সনাতন ধর্মীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রাসঙ্গিক বিষয়ঃ

নিজের ধর্ম সম্পর্কে আগে ভালোভাবে জানুন এবং অন্যকেও জানতে উৎসাহিত করুন।

আপনার পছন্দমত যে কোন ধরনের লেখা পোস্ট করতে এখানে ক্লিক করুন আপনাদের পোস্টকরা লেখাগুলো দেখতে এই লিংকে ক্লিক করুন ।
Krishna vs Arjun @ Gita



Bhogoban Krishner Picture
  • For Ad Contact
    0191 22 086 22







  • Bhogoban Krishner Picture
  • For Ad Contact
    0185 977 97 98



  • ঈশ্বর সম্বন্ধীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রাসঙ্গিক বিষয়ঃ- দেখতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের উপর ক্লিক করুন-


  • সৃষ্টিকর্তা একজন , নাকি একাধিক ?

    পূর্ববর্তী যুক্তিপ্রমাণ সাপেক্ষে এটাই সিদ্ধান্ত হল যে, সৃষ্টিকর্তা বা উপরওয়ালা অবশ্যই আছে। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে সৃষ্টিকর্তা একজন , নাকি একাধিক ? যদি সহজ সরল এবং বাস্তবতার দৃষ্টিতে দেখতে যাই তবে তা একেই পরিসমাপ্তি ঘটে, একাধিকে নয়। কারণ, -এ বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সবকিছুই একটি সুনির্দিস্ট নিয়মেই চলছে। সূর্য, চন্দ্র, অন্যান্য গ্রহ, নক্ষত্র, নদী-সাগর, বায়ুমণ্ডল, মহাবিশ্বের কোটি কোটি গ্যালাক্সি বা ছায়াপথ সবকিছুই একটি সুনির্দিস্ট নিয়মেই সুশৃঙ্খলভাবে চলছে। নির্দেশনা এক জায়গা থেকে আসছে বলে নিয়মও এক। সৃষ্টিকর্তা একাধিক হলে নিয়মও একাধিক হত। যাতে শৃঙ্খলার অভাবে সংঘর্ষ বেঁধে ধ্বংস হয়ে যেত। তা যখন হচ্ছে না তাই এটা বলা যায় যে, সৃষ্টিকর্তা একজন।

    যদি তাই হয়, তবে এ পৃথিবীতে এত মত-পথ কেন বা এত ধর্ম কীভাবে সৃষ্টি হল? হ্যাঁ এ প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে- সৃষ্টিকর্তা হল সৎ-চিৎ ও আনন্দময়। একা কি আর আনন্দ হয়, তাই তিনি বহু হয়েছেন, এবং তাঁর সৃষ্টির নব নব আনন্দ আস্বাদনের জন্য তিনি পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায়, বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন পরিবেশে, বিভিন্ন প্রয়োজনে, বিভিন্ন প্রকার জীব বা প্রজাতির সৃষ্টি করেছেন। এবং সেসকল জায়গায় সময়ের প্রয়োজনে বিভিন্ন প্রকার লীলা প্রদর্শন করে তাঁর সৃষ্টিজগৎ রক্ষা করেছেন এবং পাশাপাশি তাঁর ভক্তদেরকেও আনন্দ দিয়েছেন। সময়ের বিবর্তনে তাঁর বিভিন্ন জায়গার ভক্ত বা অনুসারীরা আজ প্রত্যেকেই তাঁদের নিজেদের জায়গায় প্রকটিত লীলানুযায়ী তাঁদের সৃষ্টিকর্তাকে সর্বশ্রেষ্ঠ বা একমাত্র সৃষ্টিকর্তা হিসাবে প্রচার করে সেই একজনকেই সকলের থেকে বড় বা মহান বা একমাত্র ইত্যাদি বলে তৃপ্তি পেতে চেষ্টা করে থাকেন।

    এদিকে এসমস্ত কাণ্ড দেখে অন্তর্যামী উপরওয়ালা নিশ্চয়ই আনন্দই পান, কেননা তিনি হয়তো ভাবেন সকলে তো তাঁকে নিয়েই চর্চা করছে। তবে হয়তো ব্যথাও পান যখন দেখেন তাঁর অন্ধ ভক্তরা তাঁকে কেন্দ্র করে একে অন্যকে হিংসা করছে, একে অপরের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধিয়ে নিজেরা নিজেরা কষ্ট পাচ্ছে। এখন বিবেচ্য বিষয় হল তিনি যদি সকলকেই সৃষ্টি করেন তবে আপনি, আমি, আমরা সকলেই তো তাঁরই সৃষ্টি এবং তিনিই আমাদের পরমপিতা। সেই দিক থেকে আমরা প্রত্যেকে পরস্পরের আপনজন। এখন আপনজন বা ভাই-ভাই যদি একে অপরকে হিংসা করি, ঝগড়া করি পিতার মহিমা গুণগান বর্ণনা করতে যেয়ে- তার থেকে বোকামী আর কী হতে পারে ?

    হ্যাঁ এখানে একটা কথা অবশ্যই বলার আছে তা হলো- পরমপিতা যেমন সত্য তেমনি তাঁর প্রতিটি মহিমা বা লীলাও সত্য। তবে কোথাও যদি কোন অসংগতি মনে হয় তবে সে ত্রুটি পরমপিতার নয়, বরং সে সীমাবদ্ধতা উক্ত মহিমা বর্ণনাকারীর উপরই বর্তায়। আর তাছাড়া কোন ঘটনার বিবরণ সময়ের বিবর্তনে অতিরঞ্জিত বা বিকৃত হতেই পারে তার দায়ভার যদি কিছু থেকে থাকে তা সম্পূর্ণ বর্তায় উক্ত ঘটনা বর্ণনাকারীর উপর যেখান থেকে বা যার থেকে উক্ত বিকৃতি শুরু হয়েছে। এখানে নিশ্চয়ই বিন্দুমাত্র দায় বা দোষ পরমপিতার উপরে বর্তায় না। তাই যারা না বুঝে অন্যের আরাধ্য সৃষ্টিকর্তাকে বা পরমপিতাকে নিয়ে কটুক্তি করেন, তারা নিশ্চয়ই একটু ঘুরিয়ে নিজের পরমপিতাকেই গালমন্দ করছেন। অতএব সাধু সাবধান!

    তাই এব্যাপারে আমার সহজ সরল অভিমত এই যে, পরমপিতার যেকোন ঘটনা বা বর্ণনার ক্ষেত্রে আপনার মন যদি কোন অসংগতি লক্ষ্য করে, আপনার মন যদি কোন ঘটনা বা ঘটনার অংশ বা বর্ণনা মানতে না চায় বা আপনি যদি এতে কোন যুক্তি খুঁজে না পান, তবে আপনাকে তা মানতেই হবে এমন ধর্মীয় বিধি নিষেধে আমি বিশ্বাসী নই। বরং পরমপিতাকে আপনি আপনার নিজের মত করে যুক্তিসংগত উপায়ে সাজিয়ে গুছিয়ে বিশ্বাস করেন তাও ভালো। তবুও তিনি যে নেই বা ছিলেন না এমনটি যেন কখনও আপনার সিদ্ধান্তে না পৌঁছায়। আপনার পিতা বা আমার পিতা সম্পর্কে যদি অন্যেরা না জানে তার অর্থ কি আপনার পিতা বা আমার পিতা নেই, বা ছিলেন না? অবশ্যই নয়। কারো জানার সীমাবদ্ধতার কারণে যেমন আপনার পিতা অসত্য হতে পারে না, তেমনি পরমপিতাও অসত্য নয়, বরং ধ্রুব সত্য এবং পৃথিবীর ভিন্ন ভিন্ন জায়গায়, বিভিন্ন মানুষের নিকট বিভিন্ন প্রয়োজনে প্রকটিত তাঁরই বিভিন্ন স্বরূপই ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত। বস্তুত সকলই একই সত্ত্বার বিভিন্ন প্রকাশ শুধু নাম আলাদা বা ভাষা আলাদা।

    তাই সবচেয়ে ভালো হতো যদি এমন একটা নাম ব্যবহার করা যেত যার অর্থ সকলের নিকট গ্রহণযোগ্য এবং সহজবোধ্য তবে নিশ্চয়ই ভালো হতো। যাহোক এবার আমরা একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারি এভাবে যে, এ বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সকলেই যেহেতু তাঁরই (পরমপিতারই) কোন না কোন সময়ের প্রকটিত লীলায় মুগ্ধ হয়ে সেই সেই রূপের মহিমা অধিকতর অন্তরে ধারণপূর্বক বংশ পরম্পরাক্রমে লালন করেন এবং প্রচার করেন তাই প্রত্যেকেই সঠিক। এবং যেহেতু প্রত্যেকেই সঠিক তাই অন্যের সাথে কারও যদি কোন দ্বন্দ্ব বা মতবিরোধ বা পার্থক্য থেকে থাকে তবে তা নিতান্তই মানুষের সৃষ্ট কোন না কোন আচার আচরণ বা নিয়মের কারণে। তাই আমাদের ধর্মীয় যত আচার-আচরণ বা নিয়ম আছে তা যদি পরস্পরের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে, দ্বন্দ্ব তৈরি করে, অপরকে আপন ভাবতে বাঁধা দেয় তবে যত দ্রুত সম্ভব তা সংশোধন করা উচিত তবেই- সকলেরই পিতা হতে পারে একজনই সে হলো ‘পরমপিতা’; সবাই মন ভরে একজনকেই ডাকতে পারবে ‘হে প্রভু’; যেকোন প্রয়োজনে সবাই বলতে পারবে মাথার উপরে তুমি তো আছ ।


    হ্যাঁ যদি বলেন আপনি তবে কাকে মূল বলে মনে করেন? তবে আমার নিকট যে তথ্য উপাত্ত আছে তার আলোকে প্রসঙ্গত বলতে হয়ঃ- ভেবে দেখুন-

    কারো যতই ঐশ্বর্য্য (ধন-সম্পদ, টাকা-পয়সা) থাকুক না কেন, তা যদি তিনি কাউকে দেখাতে না পারেন, কাউকে দান করতে না পারেন, সে ঐশ্বর্য্য যদি কারো কাজে না লাগে, কেউ যদি সে সম্পর্কে তাঁকে প্রশংসা না করেন, তাহলে কি তিনি প্রকৃত তৃপ্তি পাবেন? অবশ্যই না। কেউ যতই শক্তিশালী হোন না কেন, তা যদি তিনি কাউকে দেখাতে না পারেন, কেউ যদি সে শক্তিমত্তার পরিচয় না পায়, সে শক্তি কারো কাজে না লাগে এবং সে সম্পর্কে তাঁকে প্রশংসা না করে, তাহলে কি তিনি সত্যিই আনন্দিত হবেন? অবশ্যই না। এমনিভাবে কেউ যতই সুন্দর - সুশ্রী বা সুন্দরী দেখতে হোন না কেন, যতক্ষণ পর্যন্ত অন্য কেউ তাঁর রূপের প্রশংসা না করছেন ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি প্রকৃত আনন্দ পাবেন না। অর্থাৎ কেউ যতই গুণবান হোন না কেন, যখন অন্য কেউ সেই গুণের প্রশংসা করবেন তখনই তিনি প্রকৃত আনন্দ পাবেন। ঠিক এই কারণেই সচ্চিদানন্দময় সর্বশক্তিমান ভগবান নিজেই প্রথমে নিজেকে শ্রীমতি রাধারাণীরূপে সৃষ্টি করলেন এবং উভয়ে এক অপ্রাকৃত আনন্দ উপভোগ করতে লাগলেন। পরবর্তীতে উভয়ে মিলে সৃষ্টির নব নব আনন্দ আস্বাদনের জন্য একে একে অন্যান্য সকল প্রাণী তথা সমগ্র সৃষ্টিজগৎ রচনা করেন।

    গীতায় ভগবান বলেছেন, "সপ্ত মহর্ষি, তাঁদের পূর্বজাত সনকাদি চার কুমার ও চতুর্দশ মনু, সকলেই আমার মন থেকে উৎপন্ন হয়ে আমা হতে জন্মগ্রহণ করেছে এবং এই জগতের স্থাবর-জঙ্গম আদি সমস্ত প্রজা তাঁরাই সৃষ্টি করেছেন" (গীতা-১০/৭)। সৃষ্টির আদিতে একজনই আছেন বিধায় সমগ্র বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড একটি সুনির্দিস্ট নিয়মেই চলছে। এক্ষেত্রে একাধিক ভগবান থাকার বা হওয়ার কোন সুযোগই নেই । পিতা যেমন একাধিক হতে পারে না, তেমনি পরমপিতাও একাধিক হতে পারে না । ব্রহ্মা, বিষ্ণু , মহেশ্বর (শিব), জগন্নাথ দেব, শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভু সকলেই ভগবান শ্রীকৃষ্ণেরই বিভিন্ন প্রকাশ এবং যত অবতার তাঁরই অংশপ্রকাশ। এছাড়া বিভিন্ন দেব-দেবী, মহাত্মা-ঋষি, এমনকি মানুষ, (আপনি- আমি), যত পশু, পাখি, কীট-পতঙ্গ সকলেই তাঁরই অনন্ত গুণ বা শক্তির অংশ মাত্র। তাঁর থেকেই তো সবকিছুরই সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যেকেই তাঁদের নিজ নিজ কর্তব্য কর্মে নিয়োজিত থাকার মাধ্যমে তাঁরই ইচ্ছার বাস্তবায়ন ঘটাচ্ছেন মাত্র !!! শ্রীকৃষ্ণ হচ্ছেন স্বয়ং পরমেশ্বর ভগবান। সমস্ত বিশ্বব্রহ্মাণ্ড ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তাঁর দেহে ধারণ করে আছেন। তাইতো কুরুক্ষেত্র যুদ্ধে অর্জুনকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছিলেন-

    " হে অর্জুন ! আমার এই বিরাট শরীরে একত্রে অবস্থিত সমগ্র স্থাবর-জঙ্গমাত্মক বিশ্ব এবং অন্য যা কিছু দেখতে ইচ্ছা কর, তা এক্ষণে দর্শন কর।" (গীতা-১১/৭) অর্জুন বললেন- " হে দেব ! তোমার দেহে দেবতাদের, বিবিধ প্রাণীদের, কমলাসনে স্থিত ব্রহ্মা, শিব, ঋষিদের ও দিব্য সর্পদেরকে দেখছি।" (গীতা-১১/১৫) অর্জুন বললেন- "আমি দেখছি তোমার আদি, মধ্য ও অন্ত নেই৷ তুমি অনন্ত বীর্যশালী ও অসংখ্য বাহুবিশিষ্ট এবং চন্দ্র ও সূর্য তোমার চক্ষুদ্বয়৷ তোমার মুখমণ্ডলে প্রদীপ্ত অগ্নির জ্যোতি এবং তুমি স্বীয় তেজে সমস্ত জগৎ সন্তপ্ত করছ।" (গীতা-১১/১৯)
    বিশ্বরূপ " তুমি আদি দেব, পুরাণ পুরুষ এবং এই বিশ্বের পরম আশ্রয়। তুমি সবকিছুর জ্ঞাতা, তুমিই জ্ঞেয় এবং তুমিই গুণাতীত পরম ধামস্বরূপ৷ হে অনন্তরূপ ! এই জগৎ তোমার দ্বারা পরিব্যাপ্ত হয়ে আছে।" (গীতা-১১/৩৮) সেই সৃষ্টির আনন্দ আস্বাদনের সাথে সাথে এক অতি সূক্ষ্ম এবং নিখুঁত বিধান রচনা করে আমাদেরকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়ে এবিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের কর্মচক্রে ছেড়ে দিলেন। এবং তাঁর সৃষ্টির শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য মায়া সৃষ্টি করলেন ( যাতে আমরা তাঁকে ভুলে না যাই) ।

    " দৈবী হ্যেষা গুণময়ী মম মায়া দুরত্যয়া । মামেব যে প্রপদ্যন্তে মায়ামেতাং তরন্তি তে।। (গীতা-৭/১৪)  অর্থাৎ- আমার এই দৈবী মায়া ত্রিগুণাত্মিকা এবং তা দুরতিক্রমণীয়া। কিন্তু যাঁরা আমাতে প্রপত্তি করেন, তাঁরাই এই মায়া উত্তীর্ণ হতে পারেন। যদিও "কৃষ্ণ ভুলি' সেই জীব অনাদি- বহির্মুখ। অতএব মায়া তারে দেয় সংসার-দুঃখ ।(চৈ.চঃ মধ্য ২০/১১৭)।। অতএব এ থেকে একটা কথা স্পস্ট যে, আমাদের কর্তব্যের মধ্যে অন্যতম হল- নিত্য ভগবানের স্মরণ করা, তাঁর গুণগান করা, ( তাঁর মহিমা কীর্তন করা), তাঁর নিকটেই সব কিছু প্রার্থনা করা। এবং সমস্ত প্রকার কর্ম তাঁকে সমর্পণ করে ( কর্মবন্ধন-শূন্য হয়ে কর্ম করে) জীবন পথে এগিয়ে চলা । জয় শ্রীকৃষ্ণ।।



    আপনার পছন্দমত

    যে কোন ধরনের লেখা পোস্ট করতে এখানে ক্লিক করুন

    আপনাদের পোস্টকরা লেখাগুলো দেখতে এই লিংকে ক্লিক করুন ।


    সনাতন প্রাসঙ্গিক

    * * * Anupamasite-এ আপনাকে স্বাগতম। আপনার পছন্দমত যে কোন ধরনের লেখা পোস্ট করতে এখানে ক্লিক করুন।   আপনাদের পোস্ট করা লেখাগুলো এই লিংকে আছে, দেখতে এখানে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ * * *

    জ্ঞানই শক্তি ! তাই- আগে নিজে জানুন , শেয়ার করে প্রচারের মাধ্যমে অন্যকেও জানতে সাহায্য করুন।

    Say something

    Please enter name.
    Please enter valid email adress.
    Please enter your comment.