স্বপ্নিল হৃদয়ের স্বপ্নপুরী

• কথোপকথনের মাধ্যমে নির্মিত একটি বিকল্প রাষ্ট্রদর্শন
• আর প্রতিটি কথার ফাঁকে ফাঁকে তুলে ধরা একটা পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্র–পরিকল্পনা

এটা সম্পূর্ণ লেখকের ব্যক্তিগত অভিমত


পূর্বোল্লিখিত বিবরণের পর -


স্বপ্নিল- দেখ হৃদয়- ‘এরিয়া কোডের’ ব্যাপারটা তোমায় একটু পরে বলছি; তবে জবাবদিহির জন্য যে পদ্ধতির আশ্রয় গ্রহণ করা হয়েছে নিশ্চয়ই তার পিছনে বহু যুক্তিসংগত কারণ আছে। এব্যাপারে আমার নিকট যেটা মনে হয় তা হল-


(#১.)যেহেতু মহামান্য রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একযোগে সমগ্র দেশের সকল কমিটিগুলো গঠিত হয় সেহেতু নিরপেক্ষতার বিষয়টি নিয়ে কারও মনে কোন প্রকার সংশয় বা দ্বিমত পোষণের অবকাশ থাকে না; যেটা যেকোন কমিটি গঠনের অন্যতম প্রধান শর্ত। অর্থাৎ এককথায় এ পদ্ধতিতে নিরপেক্ষভাবে অতিসহজে সমগ্র কমিটি গঠন তথা নির্বাচন করা সম্ভব হয়।

(#২.)এছাড়াও বিশেষ সুবিধা হল- কমিটির সদস্যগণ সমগ্র দেশব্যাপী পূর্ব থেকেই তাদের নিজস্ব দায়িত্ব পালনের জন্য সংশ্লিষ্ট কাজের সাথেই সম্পৃক্ত। আর তাছাড়া মূল জবাবদিহিটাতো কমিটির কাছে না; সেটা হল জনগণের কাছে। আর জনগণের নিকট তুলে ধরতে এজাতীয় গণমাধ্যমের কর্মীরাই হয়তো সবচেয়ে বেশি উপযুক্ত বলেই বিজ্ঞজনেরা এমন সিদ্ধান্তে একমত হয়েছেন।


হৃদয়- হ্যাঁ বন্ধু তুমি শেষের কথাটা সত্যিই যথার্থই বলেছ। জনগণের নিকটই তো জবাবদিহি করতে হবে। জনগণকে বোকা ভাবা বা বোকা বানানোর কোন অবকাশই থাকবে না। আচ্ছা যদি কোন সংবাদ মাধ্যম প্রকৃত সত্য গোপন করার চেষ্টা করে যাতে কমপক্ষে ৩টি সংবাদ মাধ্যমে প্রচার বা প্রকাশের যে প্রাথমিক শর্ত তা পূরণ না হয়- তখন কি হবে?


স্বপ্নিল- হ্যাঁ একটা ভালো প্রশ্ন করলে, একে একে তোমার সকল প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি একটু সময় দাও। আচ্ছা হৃদয় একটা কথার জবাব দাওতো- জেনে শুনে কেউ কি নিজের ক্ষতি করতে চায়? নিশ্চয়ই না। আপন ভালো পাগলেও বোঝে। তবে এমন ঘটনাও প্রথম দিকে আমাদের দেশে ঘটেছিল। কিছু কিছু সংবাদ মাধ্যম অর্থের বিনিময়ে ঠিকমত প্রতিবেদন প্রকাশ করত না, বা বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রচার করত। কিন্তু দু’একটা খারাপ লোকের কারনে কি ভালো কোন কিছু বাঁধাগ্রস্ত হয়? খারাপের পাশাপাশি ভালো সংবাদপত্র, সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকও আছে তাদেরকে প্রতিহত করার জন্য। ফলশ্রুতিতে আজ তাদের অস্তিত্বই বিলীন হয়ে গেছে। তাছাড়া জনগণের নিকট কিন্তু সকল তথ্যই কম বেশি থাকে। সেই জনগণ তাদেরকে কালো তালিকাভূক্ত করে তাদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। যাতে একটা সময় পরে তাদের ব্যবসা আস্তে আস্তে অচল হয়ে- বন্ধ হয়ে গেছে। এখন বলো, এমন কাজ করার আগে সেই সমস্ত সংবাদ মাধ্যম অন্ততঃ দুইবার ভাববে কি-না? আর তাছাড়া যদি তেমন কাজ হয়েও থাকে- তাতেও কোন সমস্যা নেই।


কারণ সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানের সুপারিশ থাকলেই সেটি সরাসরি জবাবদিহি অনুষ্ঠানের আওতাভূক্ত হয় এবং RMM Vote এর মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানের সুপারিশ উক্ত মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য হিসাবে বিবেচিত হয় এবং উক্ত চেয়ারম্যানও সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক কমিটির একজন সদস্য হিসাবে গণ্য হন এবং ভোট প্রদান সহ অন্যান্য দায়িত্ব পালন করেন।

হৃদয়- বুঝলাম। কিন্তু “RMM Vote” এর ব্যাপারটা যদি একটু পরিষ্কার করো, এটি কি প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়, একটু বুঝিয়ে বলবে?

স্বপ্নিল- হ্যাঁ আগেই বলেছি, RMM Vote এর অর্থ- Registered Mobile Message Vote আর এজন্য তাকে আগে নিবন্ধিত হতে হয় এবং একজন ব্যক্তি যেকোনো ব্যাপারে মাত্র একবারই বিনামূল্যে Vote প্রদান করতে পারেন। এক্ষেত্রে প্রত্যেককে তার নিজস্ব জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি সহ সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটর কোম্পানির যেকোন কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে গিয়ে নিবন্ধন করিয়ে নিতে হয়।

হৃদয়- আচ্ছা বন্ধু, তাহলে কি RMM Vote এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে থাকে মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলো, তাইতো?

পৃষ্ঠা নং- ১৭ ,  পরবর্তী বিবরণ

* * * স্বপ্নিল হৃদয়ের স্বপ্নপুরীতে আপনাকে স্বাগতম। আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত বা পরামর্শ প্রদান করে পাশে থাকুন। ধন্যবাদ * * *

জ্ঞানই শক্তি ! তাই- আগে নিজে জানুন , শেয়ার করে প্রচারের মাধ্যমে অন্যকেও জানতে সাহায্য করুন।