দ্বিতীয়তঃ গুরুত্বপূর্ণ সড়কে বিশেষ নিরাপত্তা সম্বলিত অত্যাধুনিক বাস সার্ভিস (কমপক্ষে তিনটি ক্যাটাগরির বাস যেমন- উন্নত, খুবই উন্নত এবং ভিভিআইপি-র জন্য) চালু করা এবং এসমস্ত সড়কে সাধারণ মানের যানবাহন (যেমন- রিকশা, নিম্নমানের বাস বা মিনি বাস, সি.এন.জি. ইত্যাদি) প্রবেশ নিষিদ্ধ।
তৃতীয়তঃ প্রতিটি যানবাহনের ক্ষেত্রে নির্দিস্ট কাউন্টার ব্যতীত অন্য কোথাও থেকে যাত্রী ওঠানো বা নামানো আইনত দণ্ডনীয়।
চতুর্থতঃ সুনির্দিস্ট অনুমোদিত কারণ ব্যতীত অননুমোদিত জায়গায় গাড়ী পার্কিং করা বা থামানো আইনত দণ্ডনীয়।
এছাড়াও সড়ক বিভাগ এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আরও বিভিন্ন নিয়ম কানুন আছে সেটা আমার জানা নেই। এসকল বিধিনিষেধগুলো যথাযথভাবে পালন করার মাধ্যমে আমারা বেশ ভালোভাবেই চলাচল করতে পারছি; এগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করে তোমরাও এব্যাপারে আমাদের মত ভালোই সুফল পেতে পারো।
হৃদয়-- বাঃ খুবই ভালো উদ্যোগ। যানজট নিরসনের ক্ষেত্রে আমাদের দেশেও নিশ্চয়ই এধরনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ কাজে আসলেও আসতে পারে। আচ্ছা এবার দরপত্রের ব্যাপারে তোমাদের দেশে কিধরণের ব্যবস্থা আছে যদি একটু বলো।
স্বপ্নিল-- দেখ হৃদয় দরপত্রের ব্যাপারটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং দীর্ঘমেয়াদী জনস্বার্থ সম্বলিত একটা ইস্যু। এক্ষেত্রে কোনপ্রকার অনিয়ম বা দুর্ণীতি হলে তার ভোগান্তিও দীর্ঘমেয়াদে সকলকে ভোগ করতে হয়। এব্যাপারে আমাদের দেশের জনগণ থেকে শুরু করে সরকার সকলেই খুবই সচেতন। কারণ শুরুটা যদি ত্রুটিযুক্ত অর্থাৎ গলদপূর্ণ হয়- তবে তার ভবিষ্যৎও নিশ্চয়ই ত্রুটিপূর্ণ হবে এটাই স্বাভাবিক।
এক্ষেত্রে আমাদের দেশের বিজ্ঞজনেরা ঠিক যেমন সিদ্ধান্তে একমত হয়েছেন তোমাকে সেটিই বলছি। আমাদের দেশে ২০ লক্ষ টাকার অধিক যেকোন দরপত্র সংশ্লিষ্ট জেলা প্রেসক্লাবের নির্দিস্ট কক্ষে সুরক্ষিত একাধিক বাক্সের সুনির্দিস্ট একটিতে জমা করতে হয়।
এক্ষেত্রে বলে রাখি সংশ্লিষ্ট দরপত্রের মূল বাক্সের চাবি থাকে সংশ্লিষ্ট দরপত্র আহ্বানকারী প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে আর মূল কক্ষের চাবি থাকে সংশ্লিষ্ট প্রেস ক্লাব সভাপতির দায়িত্বে।
এছাড়া যেহেতু প্রেসক্লাব এলাকাটি বিভিন্ন কারণে খুবই গুরুত্বপূর্ণ তথা ঝুকিপূর্ণ তাই সমগ্র এলাকাটি সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নজরদারির মধ্যে থাকে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বলয়ে বেষ্টিত থাকে। ব্যাপারটা অনেকটা দেখতে এই ছবিটার মতো।
দরপত্র জমাদানের সময় ছুটির দিন ব্যাতীত সকাল ৯.০০টা থেকে বিকাল ৫.০০টা পর্যন্ত। এর পরেই মূল কক্ষ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং খোলার সময় প্রতি মাসের নির্দিস্ট দুটি বন্ধের দিন। এদিন একই সাথে একাধিক প্রতিষ্ঠানের দরপত্রের
বাক্স মিডিয়ার সম্মুখে জাকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্যে প্রকাশ করা হয় সাথে সাথে নতুন কোন প্রতিষ্ঠানের দরপত্রের বাক্স নির্ধারন বা স্থাপনও করা হয়। প্রেসক্লাব কর্তৃপক্ষই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন এবং এসব কিছুর বিনিময়ে তাঁরা...
পৃষ্ঠা নং- ১১ , পরবর্তী বিবরণ