স্বপ্নিল হৃদয়ের স্বপ্নপুরী

• কথোপকথনের মাধ্যমে নির্মিত একটি বিকল্প রাষ্ট্রদর্শন
• আর প্রতিটি কথার ফাঁকে ফাঁকে তুলে ধরা একটা পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্র–পরিকল্পনা

এটা সম্পূর্ণ লেখকের ব্যক্তিগত অভিমত, এব্যাপারে আপনিও আপনার মতামত দিতে পারেন ।



অধ্যায় ৪ :
পণ্য গ্রেডিং ও মাননিয়ন্ত্রণের স্বপ্নমডেল

পূর্ববর্তী বিবরণের পর-

স্বপ্নিল- হ্যাঁ বলছি, মন দিয়ে শোন। যে কোন পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করার জন্য আমাদের দেশের পণ্যমান সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম অতি প্রসংশনীয়। এব্যাপারে তাঁদের ব্যতিক্রমধর্মী কাজের মধ্যে দু’একটির বিবরণ তোমায় আমি দিচ্ছি।
যেমনঃ- প্রথমতঃ যেকোন পণ্যের প্যাকেট দেখেই আমরা বুঝতে পারি সেটি কতটা মানসম্মত; সেটা কীভাবে সম্ভব? সম্ভব এইভাবে যে-
আমাদের দেশের যত প্যাকেট বা বোতলজাত পণ্য যা আমরা ব্যবহার করি, তার প্রতিটি পণ্যের প্যাকেটের গায়ে উক্ত পণ্যের গ্রেড বা Category এবং MRP সেই সাথে মেয়াদ উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক। আর তা দেখে আমরা সহজেই উক্ত পণ্যের মান সম্পর্কে বেশ ভাল একটা ধারণা পেয়ে থাকি।

হৃদয়--আচ্ছা পণ্যের গ্রেডের কথা যেটা বললে সেটি কিভাবে নির্ধারণ করা হয় সে ব্যাপারে কোন ধারণা আছে তোমার?

স্বপ্নিল-- হ্যাঁ আছে, আমার এক নিকট আত্মীয় উক্ত পণ্যমান সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করে, ওর নিকট থেকে শোনা।
তুমিও মন দিয়ে শোন; যেকোন পণ্যের ক্ষেত্রে উক্ত পণ্যের সকল উপাদান যেটা মানব শরীর এবং পরিবেশের জন্য উপকারী অথবা ক্ষতিকারক ইত্যাদি দিক বিচার বিশ্লেষণ করে সর্বমোট ৬টি গ্রেড বা Category তে ভাগ করে থাকে।
এক্ষেত্রে ৮০% বা তার বেশি গুরুত্ব তথা পয়েন্ট বা নম্বর প্রাপ্ত পণ্যের জন্য A++ গ্রেড, এমনিভাবে ৭০%, ৬০%, ৫০%, ৪০%, ৩০% এবং (-৩০%) গুরুত্ব বা পয়েন্ট-এর ক্ষেত্রে যথাক্রমে A+, A, B, C, D এবং F গ্রেড নির্ধারণ করা হয়। বুঝতেই পারছ A++ হলো সবচেয়ে ভালো মানের পণ্য তবে F গ্রেড হলো নিষিদ্ধ তালিকাভুক্ত পণ্য।
এসংক্রান্ত একটি খসড়া হিসাব পদ্ধতি আমার নিকট আছে, তুমি দেখতে পারো। দেখ-
Sopnopuri_images
এছাড়া তুমি চাইলে এই লিংকে ক্লিক করে যেকোন সময় যেকোন যায়গা থেকে দেখে নিতে পারো বা হিসাবটা বুঝে নিতে পারো। তোমাকে শুধুমাত্র কয়েটা ডাটা এন্ট্রি করতে হবে বোঝার জন্য (অবশ্য এই কাজটা করে থাকে পণ্যমান সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগণ)।
পণ্যের গ্রেডিং নির্ণয়ের খসড়া হিসাবটি প্রায় এরকম; বিশেষজ্ঞ প্রোগ্রামাররা হয়ত এখন আরও একটু আপগ্রেড করতে পারে।
এখানে তোমার বুঝার সুবিধার্থে কিছু কথা বলা প্রয়োজন। যেমন- বাম পার্শ্বে নীচে সকল ক্ষতিকারক উপাদানের নাম লিখতে হয়।
এবং উক্ত পণ্যে অর্থাৎ এক ইউনিট পণ্যে বা একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে বা একটি নির্দিষ্ট এককে উক্ত ক্ষতিকারক উপাদান কত মাত্রায় উপস্থিত আছে- ল্যাবে পরীক্ষার পর তার হার পূরণ করতে হয়।
উল্লেখ্য এখানে ১ থেকে ৩ অর্থাৎ লাল দাগ এর নীচ পর্যন্ত সাধারণ অনুমোদিত সীমা বা মানদন্ড নির্ধারণ করা হয়েছে।
অর্থাৎ উক্ত উপাদান মানব শরীরের উপর সর্বোচ্চ সহনীয় মাত্রা(৩) এবং সর্বোচ্চ ক্ষতিকারক (মৃত্যু ঘটতে পারে এমন) এর মাত্রা ১০ ধরা হয়েছে।
তবে এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদেরকে বিভিন্ন পণ্যের এরূপ সহনীয় মাত্রা বা ১ থেকে ১০ মাত্রা নির্ধারণে একটা স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে বলা যেতে পারে।
অনুরূপভাবে ডান পার্শ্বে নীচে সকল উপকারী উপাদানের নাম লিখতে হয়। এবং উক্ত পণ্যে অর্থাৎ এক ইউনিট পণ্যে বা একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে বা একটি নির্দিষ্ট এককে কত মাত্রায় উপস্থিত আছে- ল্যাবে পরীক্ষার পর তার হার পূরণ করতে হয়। উল্লেখ্য এখানেও উপর থেকে (১০ থেকে ৪ পর্যন্ত) লাল দাগ এর উপর পর্যন্ত সাধারণ অনুমোদিত সীমা বা মানদন্ড ধরা হয়েছে।
অর্থাৎ এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিগণ কর্তৃক নির্ধারিত সাধারণ অনুমোদিত সর্বনিম্ন সীমা বা মাত্রা হলো ৪, অর্থাৎ যেকোন কোম্পানিকে এমন মানের কাঁচামাল ব্যবহার করার জন্য নির্দেশনা বা অনুমোদন করা হয়েছে যা উৎকৃষ্টতার বিচারে ১ থেকে ১০ এর মধ্যে অন্ততঃপক্ষে যেন ৪ নং স্তরে বা তার উপরে থাকে। চিত্রটি আরও একবার দেখ- তাহলে বুঝতে সুবিধা হবে। তবে বলে রাখি- আমাদের ওখানে যেকোন পণ্যের প্যাকেট বা বোতলের গায়ে নিম্নোক্ত Product Grading Result টুকু শুধুমাত্র লেখা থাকে। এছাড়া MRP এবং মেয়াদ তো থাকেই।

হৃদয়-- বাঃ খুবই সুন্দর ব্যবস্থা, যদি পণ্যের প্যাকেটের গায়ে এমনই গ্রেড, মূল্য এবং মেয়াদ উল্লেখ থাকে তাহলে যাচাই করতে ভোক্তাদের তথা সাধারণ মানুষদের খুব সুবিধাই হবে। আচ্ছা এসংক্রান্ত তাঁরা আর কি কি করে থাকে?

স্বপ্নিল-- প্রথমটাতো শুনলে সকল ধরণের পণ্যের গ্রেডিং করে থাকে। এরপর উক্ত পণ্যের গ্রেডিং সার্টিফিকেটসহ মূল্যায়ন পত্র তাঁদের অর্থাৎ পণ্যমান সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে আপলোড করে থাকে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটেও আপলোড করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। এবং বৎসরে দুইবার তা পুনঃপরীক্ষা করে রিপোর্ট আপগ্রেড করিয়ে নিতে একপ্রকার বাধ্য করা হয়।

হৃদয়-- একপ্রকার বাধ্য করা হয় ঠিক বুঝলাম না, একটু যদি বলো।

স্বপ্নিল-- বাধ্য করা হয় এই জন্য বললাম যে, কেউ যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাঁর পণ্য পুনঃ পরীক্ষা করিয়ে রিপোর্ট আপডেট না করেন, তবে তাৎক্ষণিকভাবে যে ব্যবস্থা নেয়া হয় তা হলো- সংশ্লিষ্ট পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের গ্রেডিং সার্টিফিকেটটির উপর লাল X চিহ্ন এবং Expired লেখা যুক্ত করে উক্ত পণ্যমান সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়। এতে করে সংশ্লিষ্ট পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের উপর ক্রেতা সাধারণের একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। ফলে একপ্রকার বাধ্য হয়েই সকলে যথাসময়ে তাদের সংশ্লিষ্ট পণ্যের পুনঃ পরীক্ষা করিয়ে গ্রেডিং সার্টিফিকেট আপডেট করিয়ে নেয়। এক্ষেত্রে যে কেউ চাইলে সেখান থেকে দেখে নিতে এবং যাচাই করতে পারে। তাছাড়া যেকোন পণ্যের ক্ষেত্রে- বিশেষজ্ঞ কমিটি দ্বারা অনুমোদিত ক্ষতিকারক উপাদানের সহনীয় মাত্রা এবং উপকারী উপাদানের সর্বনিম্ন সীমা প্রস্তুত করে তা আপলোড করা আছে। তাই যেকোন পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে তা পুরোপুরি অনুসরণ করতে হয়। এছাড়া ভিন্ন নতুন কোন পণ্য বাজারজাত করতে হলেও তার জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ কিছু ধাপ বা পদক্ষেপ তাদেরকে অনুসরণ করতে হয়।

হৃদয়-- বাঃ বেশ ভালই তো মনে হচ্ছে। তোমার কি খারাপ লাগছে বলতে যদি এব্যাপারে আরও বিস্তারিত জানতে চাই?

স্বপ্নিল-- না-না ভালই তো লাগছে, নিজের দেশের- তথা নিজের সম্পর্কে প্রশংসাসূচক কোন কথা বলতে কারো কি খারাপ লাগে? তাছাড়া তুমি আমার প্রাণের মানুষ, অতি আপনজন- তোমার সাথে কথা বলে সময় কাটাচ্ছি, তোমার ভাল লাগছে মানে আমারও খুব ভাল লাগছে- এটাই ভাববে। তুমি যা খুশী আমার থেকে জেনে নিতে পারো, আমার জানা থাকলে আমি নিশ্চয়ই সেটি তোমায় জানাব। এবার মন দিয়ে শোন- আমাদের দেশে নতুন কোন পণ্য বাজারজাত করতে হলে তার জন্য প্রথমে পণ্যমান নিশ্চিতকরণ ও সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানের গ্রেডিং সার্টিফিকেটের জন্য জেলা প্রেস ক্লাব সভাপতি বরাবর আবেদন করতে হয়। সভাপতি মহোদয় সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক বৃন্দকে অবহিত করেন এবং সমঝোতার ভিত্তিতে দুইটি গণমাধ্যমে (একটি পত্রিকা এবং একটি টিভি) অনধিক সাত কার্যদিবসের মধ্যে উক্ত পণ্যের নমুনা সংগ্রহ, এসংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ এবং তা প্রচার করার নির্দেশ দিয়ে থাকেন।

উক্ত সাংবাদিক বৃন্দ যথাসময়ে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করেন। তাঁরা যথাসময়ে উক্ত পণ্য সম্পর্কে প্রতিবেদন প্রকাশ করেন এবং নমুনা পণ্য সংগ্রহ করে তা সভাপতির তত্ত্বাবধানে রেজিস্টারে অন্তর্ভূক্ত করে কিছু অংশ পরবর্তী এক মাসের জন্য সংরক্ষণ করেন এবং বাকিটুকু পণ্যমান নিশ্চিতকরণ ও সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানে গ্রেডিং এর জন্য পাঠিয়ে দেন।

এরপর উক্ত পণ্যমান নিশ্চিতকরণ ও সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে সেটি তাৎক্ষণিকভাবে Sample Code No. দিয়ে রেজিস্টারে অন্তর্ভূক্ত করা হয় এবং সমান চারটি ভাগ করে উক্ত Sample Code No. সহ প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব আলাদা আলাদা প্যাকেটে সংরক্ষণ করা হয়। এরপর সেখান থেকে একটি প্যাকেট উক্ত প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষাগারে পাঠানো হয় এবং অন্য আর একটি প্যাকেট পাঠানো হয় বিশেষায়িত বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষাগারে।

অবশেষে ন্যূনতম সময়ের মধ্যে ফলাফল সংগ্রহ করে পণ্যমান নিশ্চিতকরণ ও সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞ কমিটি তা পর্যবেক্ষণ করেন। এরপর উক্ত পণ্যের উপকরণ মিশ্রণ তালিকায় প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সংশোধনপূর্বক চূড়ান্ত অনুমোদন করেন এবং সে অনুযায়ী গ্রেডিং সার্টিফিকেট দিয়ে থাকেন, সাথে সাথে উক্ত পণ্যের ক্ষতিকারক উপাদানের সহনীয় মাত্রা এবং উপকারী উপাদানের সর্বনিম্ন সীমা প্রস্তুত করে ওয়েবসাইটে আপলোড করে থাকেন যেটা পরবর্তীতে উক্ত পণ্য বা অনুরূপ পণ্যের ক্ষেত্রে সকল প্রতিষ্ঠানকে অনুসরণ করতে হয়।

হৃদয়-- আচ্ছা বন্ধু এই প্রক্রিয়াটাতো নতুন কোন পণ্য বাজারজাতকরণের শুরুতে হয়ে থাকে কিন্তু যেসমস্ত পণ্য ইতোমধ্যে বাজারে বিদ্যমান, সেক্ষেত্রে কি ব্যবস্থা নেয়া হয়?

স্বপ্নিল-- হ্যাঁ বলছি, এক্ষেত্রে পণ্যমান নিশ্চিতকরণ ও সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞ কমিটি পূর্বেই উক্ত বিভিন্ন ধরণের পণ্য বাজার থেকে সংগ্রহ করে সেগুলো পণ্যের ধরণ অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণীতে ভাগ করে থাকেন। এরপর সেগুলো ভালোভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মানব শরীর এবং পরিবেশের উপর ক্ষতিকারক উপাদানের সহনীয় মাত্রা এবং উপকারী উপাদানের সর্বনিম্ন সীমা প্রস্তুত করে তা তাদের ওয়েবসাইটে আপলোড করে থাকে যাতে সকলেই তা অনুসরণ করতে পারে।

এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দেওয়া আছে যাতে একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাঁরা তাদের পণ্যগুলো প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সংশোধন সাপেক্ষে পণ্যমান নিশ্চিতকরণ ও সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষা করিয়ে গ্রেডিং সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে থাকেন।

এছাড়া পরবর্তী পর্যায়ে উক্ত পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করার জন্য বৎসরে দুইবার তা নবায়ন করিয়ে নিতে হয়। সেক্ষেত্রেও ওই পূর্বের মতোই নিয়ম অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট জেলা প্রেস ক্লাব সভাপতি বরাবর পুনঃপরীক্ষার জন্য আবেদন করতে হয়। এরপর একে একে পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী সবকিছুই অনুসরণ করা হয়।

তবে এক্ষেত্রে অনুমোদিত উপকরণ মিশ্রণ তালিকার সাথে যেন কোন ব্যতয় সৃষ্টি না হয় সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখা হয়। অর্থাৎ ক্ষতিকারক উপাদানের সহনীয় মাত্রা যাতে কোনভাবেই অনুমোদিত সীমা অতিক্রম না করে সেটিই প্রধান বিবেচ্য বিষয়। অবশ্য উপকারী উপাদান সংযুক্ত করা যাবে তবে তা অনুমোদন সাপেক্ষে সার্টিফিকেট নিতে হয়।

হৃদয়-- আচ্ছা বন্ধু সার্টিফিকেট নেওয়ার সময়সীমার ক্ষেত্রে কোন বিশেষ নিয়ম বা বাধ্যবাধকতা আছে কি-না?

স্বপ্নিল-- হ্যাঁ অবশ্যই আছে, এক্ষেত্রে সর্বশেষ সার্টিফিকেট নেওয়ার তারিখ হতে ছয়মাস পূর্ণ হওয়ার ১৫ দিন পূর্ব থেকে ১৫ দিন পর এই এক মাসের মধ্যে উক্ত সার্টিফিকেট নবায়ন করিয়ে নিতে হয়।

কোন কারণে ব্যর্থ হলে জরিমানা দিয়ে তার পরবর্তী মাসের মধ্যে নেওয়া যায়। এতেও ব্যর্থ হলে দ্বিগুণ জরিমানা দিয়ে তার পরবর্তী মাসের মধ্যে নেওয়া যায়।

কিন্তু এতেও ব্যর্থ হলে চারগুন জরিমানা দিয়ে লাইসেন্স বাতিল না করার সর্বশেষ সুযোগটুকু দেওয়া হয় যাতে তারা সার্টিফিকেট নবায়ন করিয়ে নেয়। এর অন্যথা হলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির উৎপাদন লাইসেন্স বাতিল করা হয় এবং বিষয়টি জেলা প্রেসক্লাব সভাপতিকে অবহিত করা হয়। সেই সাথে ওয়েবসাইটে উক্ত বাতিল সার্টিফিকেট আপলোড করা হয়।

এই অংশের বিশেষজ্ঞ মতামত বা মূল্যায়ন দেখতে ক্লিক করুন।

এরপর অধ্যায় ৫ : খোলা বাজারের খাদ্য– নিরাপত্তা ও রাসায়নিক ভীতি

Comments


A
A 199 days ago
খুব সুন্দর
স্পষ্টীকরণ (Disclaimer)=> এই গ্রন্থ “স্বপ্নিল হৃদয়ের স্বপ্নপুরী”–তে বর্ণিত দেশ, রাষ্ট্রব্যবস্থা, নীতি, আইন, চরিত্র, সংলাপ, সংগঠন ও ঘটনাবলি সম্পূর্ণ কল্পনাভিত্তিক এবং সাহিত্যিক বিন্যাসে উপস্থাপিত। বাস্তব কোনো রাষ্ট্র, সরকার, সংবিধান, রাজনৈতিক দল, ব্যক্তি, সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মিল থাকলে তা সম্পূর্ণ কাকতালীয় এবং অনিচ্ছাকৃত।

* * * Anupamasite-এ আপনাকে স্বাগতম। আপনার পছন্দমত যে কোন ধরনের লেখা পোস্ট করতে এখানে ক্লিক করুন।   আপনাদের পোস্ট করা লেখাগুলো এই লিংকে আছে, দেখতে এখানে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ * * *

জ্ঞানই শক্তি ! তাই- আগে নিজে জানুন , শেয়ার করে প্রচারের মাধ্যমে অন্যকেও জানতে সাহায্য করুন।