শ্রীকৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাস কৃত শ্রীমদ্ভাগবত এর গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক ও তাৎপর্য ।

কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ কর্তৃক মূল সংস্কৃত শ্লোক, অনুবাদ এবং বিশদ তাৎপর্যসহ ইংরেজি SRIMAD BHAGAVATAM গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ

  • শ্রীমদ্ভাগবত ২য় স্কন্ধ, অধ্যায়-৩, (শুদ্ধ ভক্তিঃ হৃদয়ের পরিবর্তন )

    শ্লোক: ১৩
    শৌনক উবাচ
    ইত্যভিব্যাহৃতং রাজা নিশম্য ভরতর্ষভঃ ৷
    কিমন্যৎপৃষ্টবান্ ভূয়ো বৈয়াসকিমৃষিং কবিম্ ৷৷ ১৩ ৷৷

  • অনুবাদ : শৌনক বললেন, ব্যাসদেবের পুত্র শ্রীল শুকদেব গোস্বামী ছিলেন একজন অতি বিদ্বান ঋষি এবং তিনি কাব্যের আকারে সব কিছু বর্ণনা করতে পারতেন । তাঁর কাছ থেকে এ সব বিষয় শ্রবণ করার পর পরীক্ষিৎ মহারাজ তাঁকে পুনরায় কি জিজ্ঞাসা করেছিলেন ?
  • তাৎপর্যঃ- ভগবানের শুদ্ধ ভক্তের সমস্ত দিব্য গুণাবলী আপনা থেকেই বিকশিত হয়, এবং সেই সমস্ত গুণাবলীর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য লক্ষণ হচ্ছে — তিনি দয়ালু, শান্ত, সত্যবাদী, সমদর্শী, ত্রুটিহীন, উদার, মৃদু, শুচি, অনাসক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী, সন্তুষ্ট, শ্রীকৃষ্ণে শরণাগত লালসা-রহিত, সরল, স্থির, সংযত, মিতভুক প্রকৃতিস্থ, শিষ্ট, নিরহঙ্কার, গম্ভীর, দয়ালু, মৈত্রীভাবাপন্ন, কবি, দক্ষ এবং মৌন। শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত গ্রন্থে কৃষ্ণদাস কবিরাজ কর্তৃক বর্ণিত ভগবদ্ভক্তের এই ছাব্বিশটি প্রধান গুণের মধ্যে এখানে শ্রীল শুকদেব গোস্বামী সম্বন্ধে কবিত্ব গুণটি বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে । তিনি শ্রীমদ্ভাগবত শ্রবণ করে যেভাবে তা বর্ণনা করেছেন, তা কবিত্বের সর্বশ্রেষ্ঠ নিদর্শন । তিনি ছিলেন আত্মতত্ত্ববেত্তা মহর্ষি অর্থাৎ তিনি ছিলেন ঋষিদের মধ্যে কবি ।

    পূরবর্তী শ্লোক দেখুন অথবা পরবর্তী শ্লোক
  • * * * Anupamasite-এ আপনাকে স্বাগতম। আপনার পছন্দমত যে কোন ধরনের লেখা পোস্ট করতে এখানে ক্লিক করুন।   আপনাদের পোস্ট করা লেখাগুলো এই লিংকে আছে, দেখতে এখানে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ * * *

    জ্ঞানই শক্তি ! তাই- আগে নিজে জানুন , শেয়ার করে প্রচারের মাধ্যমে অন্যকেও জানতে সাহায্য করুন।