শ্রীকৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাস কৃত শ্রীমদ্ভাগবত এর গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক ও তাৎপর্য ।
কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ কর্তৃক মূল সংস্কৃত শ্লোক, অনুবাদ এবং বিশদ তাৎপর্যসহ ইংরেজি SRIMAD BHAGAVATAM গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ
শ্রীমদ্ভাগবত ২য় স্কন্ধ, অধ্যায়-২, (হৃদয়াভ্যন্তরস্থ ভগবান )
শ্লোক: ৩০
স ভূতসূক্ষ্মেন্দ্রিয়সন্নিকর্ষং
মনোময়ং দেবময়ং বিকার্যম্ ।
সংসাদ্য গত্যা সহতেন যাতি
বিজ্ঞানতত্ত্বং গুণসন্নিরোধম্ ৷৷ ৩০ ৷৷
অনুবাদ :
এইভাবে ভক্ত স্থূলভূত , সূক্ষ্মভূত ও ইন্দ্রিয়সমূহের লয় স্থান এবং সাত্ত্বিক , রাজসিক ও তামসিক অহঙ্কার প্রাপ্ত হয়ে সেই অহঙ্কারের সঙ্গে বিজ্ঞান তত্ত্ব বা মহৎ তত্ত্বে গমন করেন , এবং তারপর তিনি শুদ্ধ আত্ম - উপলব্ধির স্তরে উন্নীত হন ।
তাৎপর্যঃ-
পূর্বে আমরা কয়েকবার আলোচনা করেছি যে শুদ্ধ আত্মতত্ত্বজ্ঞান হচ্ছে নিজেকে ভগবানের নিত্যদাসরূপে জানবার শুদ্ধ চেতনা । এইভাবে জীব ভগবানের প্রেমময়ী সেবার প্রকৃত স্তরে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় , যা স্পষ্টভাবে পরবর্তী শ্লোকে বিশ্লেষণ করা হবে । ভগবানের কাছে কোন কিছু প্রত্যাশা না করে তার প্রেমময়ী সেবার যে অপ্রাকৃত স্তর , তা লাভ করা যায় যখন জড় ইন্দ্রিয়গুলি কলুষমুক্ত হয়ে তাদের স্বাভাবিক শুদ্ধ অবস্থা প্রাপ্ত হয় । এখানে যৌগিক ক্রিয়ার মাধ্যমে ইন্দ্রিয়গুলিকে কলুষমুক্ত করার পন্থা বর্ণিত হয়েছে । যেমন , স্কুল ইন্দ্রিয়গুলি তমোগুণে লয় প্রাপ্ত হয় । মন সত্ত্বগুণজাত এবং তাই তাকে বলা হয় দেবময় বা দিব্য । পূর্ণরূপে নিজেকে ভগবানের সেবকরূপে উপলব্ধি করার মাধ্যমে মনের পবিত্রীকরণ সম্ভব হয় । তাই সত্ত্বগুণের স্তর প্রাপ্ত হলেও জড় গুণের স্তরেই আবদ্ধ থাকা হয় । এই জড় সত্ত্ব গুণের স্তরও অতিক্রম করতে হবে এবং বিশুদ্ধ সত্ত্ব বা বাসুদেব সত্ত্বের স্তরে উন্নীত হতে হবে । এই বিশুদ্ধ সৱ ভগবানের ধামে প্রবেশ করতে সাহায্য করে ।
এই সম্পর্কে আমাদের মনে রাখতে হবে যে পূর্বোল্লিখিত উপায়ে ভক্তের যে ক্রমোন্নতির পন্থা , তা প্রামাণিক হলেও বর্তমান যুগের পক্ষে কার্যকরী নয় । কেননা এই যুগের মানুষেরা যোগের প্রকৃত পন্থা সম্বন্ধে অজ্ঞ । পেশাদারী কতগুলি ভণ্ড যে তথাকথিত যোগের শিক্ষা দিচ্ছে , তা স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য কার্যকরী হলেও পারমার্থিক উন্নতি সাধনে কোনরকম সাহায্য করে না । পাচ হাজার বছর পূর্বে , যখন মানব সমাজ যথাযথভাবে বৈদিক নির্দেশ অনুসরণ করত , তখন এই যোগের পন্থা সকলের কাছে স্বাভাবিক ছিল । কেননা সকলে , বিশেষ করে ব্রাহ্মণ এবং ক্ষত্রিয়েরা , গৃহ থেকে বহু দুরে সদ্গুরুর আশ্রমে ব্রহ্মচর্য পালন করার মাধ্যমে এই অপ্রাকৃত প্রক্রিয়াটি অনুশীলনের শিক্ষা লাভ করতেন । কিন্তু আধুনিক যুগের মানুষেরা যথাযথভাবে এই পন্থাটি হৃদয়ঙ্গম করে তা অনুশীলনে অক্ষম ।
তাই শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু আধুনিক যুগের মানুষদের জন্য ভগবদ্ভক্তি অনুশীলনের পন্থাটি অত্যন্ত সরল করে দিয়ে গেছেন । অনুশীলনের প্রক্রিয়া ভিন্ন হলেও চরমে ফলটি কিন্তু অভিন্ন । প্রধান বিষয়টি হচ্ছে ভক্তিযোগের চরম গুরুত্ব সম্বন্ধে হৃদয়ঙ্গম করা । বিভিন্ন প্রজাতিতে জীব তার পূর্বকৃত কর্মের ফলস্বরূপ বিভিন্ন প্রকার বদ্ধদশা প্রাপ্ত হচ্ছে । কিন্তু তার বিভিন্ন প্রকার কার্যকলাপ সম্পাদন করতে কেউ যখন ভক্তিযোগের সম্পদ প্রাপ্ত হন , তখন তিনি পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কৃপায় এবং সদ্গুরুর কৃপায় ভগবদ্ভক্তির মহিমা হৃদয়ঙ্গম করতে পারেন । ভগবানের কৃপায় নিষ্ঠাবান জীব ভগবানের প্রতিনিধি সদগুরুর সাক্ষাৎ পান । সেই সদ্গুরুর নির্দেশ অনুশীলনের ফলে জীব ভগবদ্ভক্তির বীজ প্রাপ্ত হন । শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু নির্দেশ দিয়েছেন যে ভগবদ্ভুক্ত যেন ভক্তিলতার সেই বীজ তার হৃদয়রূপ ভূমিতে রোপণ করেন এবং ভগবানের দিব্য নাম , যশ ইত্যাদির শ্রবণ ও কীর্তনের মাধ্যমে সেই বীজটিতে জল সিঞ্চন করেন । নিরপরাধে ভগবানের দিব্য নাম শ্রবণ এবং কীর্তন করার ফলে অচিরেই জড় জগতের বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে চিন্ময় স্তরে উন্নীত হওয়া যায় ।
ভগবানের নাম গ্রহণের তিনটি স্তর রয়েছে । প্রথম স্তরটি হচ্ছে অপরাধযুক্ত হয়ে ভগবানের দিব্য নাম করা , দ্বিতীয় স্তরটি হচ্ছে নামাভাসের স্তর , এবং তৃতীয় স্তরটি শুদ্ধ নাম গ্রহণের স্তর । দ্বিতীয় স্তরটিতেই , অর্থাৎ অপরাধ যুক্ত এবং অপরাধ মুক্ত স্তরের মধ্যবর্তী নামাভাসের মাধ্যমে আপনা থেকেই জড় জগতের বন্ধন মুক্তির স্তর লাভ হয় । আর নিরপরাধে ভগবানের নাম গ্রহণের ফলে ভগবদ্ধামে প্রবেশ করা যায় , যদিও আপাতদৃষ্টিতে তার দেহটি তখনও জড় জগতে বিরাজ করে । অপরাধমুক্ত স্তর লাভ করতে হলে নিম্নলিখিত উপায়ে সচেতন থাকতে হবে ।
শ্রবণ - কীর্তন বলতে কেবল রাম , কৃষ্ণ , আদি ভগবানের নাম (অথবা ষোল নাম সমন্বিত হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে) শ্রবণ এবং কীর্তনই নয়, পক্ষান্তরে ভক্তসঙ্গে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা এবং মাগ • পাঠ করতে এবং শ্রবণ করতে হবে । ভক্তিযোগের প্রাথমিক অনুশীলনের ফলে হৃদয়ে ভক্তিলতার বীজটি অঙ্কুরিত হবে , এবং উপরোক্ত পন্থায় নিয়মিতভাবে জল সেচনের ফলে ভক্তিলতাটি বর্ধিত হতে থাকবে । যথাযথ ভাবে সেই লতাটি লালন পালনের ফলে তা বর্ধিত হয়ে অবশেষে ব্রহ্মাণ্ডের আবরণ ভেদ করে , যা আমরা পূর্ববর্তী শ্লোক গুলিতে শুনেছি , জ্যোতির্ময়ী চিদাকাশ ব্রহ্মজ্যোতি প্রাপ্ত হবে এবং ক্রমে ক্রমে আরও বর্ধিত হয়ে তা চিদাকাশে যেখানে বৈকুণ্ঠলোক নামক অসংখ্য চিন্ময় গ্রহ রয়েছে সেখানে প্রবেশ করবে । তারও ঊর্ধ্বে রয়েছে কৃষ্ণলোক বা গোলোক বৃন্দাবন , যেখানে সেই ভক্তিলতাটি আদিপুরুষ পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শ্রীপাদপদ্মের আশ্রয় লাভ করবে । কেউ যখন গোলোক বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণের শ্রীপাদপদ্ম লাভ করেন , তখন শ্রবণ , কীর্তনরূপ জল সিঞ্চনের পন্থা , এবং ভগবানের দিব্য নাম কীর্তনের শুদ্ধ ভক্তি ফলপ্রসূ হয় , এবং ভগবৎ প্রেমরূপ সেই ফলের স্বাদ এই জড় জগতে থাকা সত্ত্বেও আস্বাদন করতে পারেন । উপরোক্ত উপায়ে নিরস্তর জলসিঞ্চনে যুক্ত ভগবক্তরাই কেবল ভ্যাব ढ ক্তির সেই সুপক্ক ফল আস্বাদন করতে পারেন । তবে ভগবদ্ভক্তকে সব সময়ে সচেতন থাকতে হবে যাতে ভক্তিলতাটি ছিন্ন হয়ে না যায় । তাই তাকে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি সম্বন্ধে সচেতন থাকতে হবে :
( ১ ) ভগবানের শুদ্ধভক্তের চরণে অপরাধ একটি মত্ত হস্তীর সুসজ্জিত বাগানে প্রবেশ করে সব কিছু নষ্ট করে দেওয়ার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে ।
( ২ ) একটি লতাকে যেমন বেড়া দিয়ে রক্ষা করা হয় , তেমনই ভগবানের শুদ্ধ ভক্তের চরণে অপরাধ থেকে সব সময় নিজেকে রক্ষা করার ব্যাপারে খুব সচেতন থাকতে হবে ।
( ৩ ) জল সিঞ্চনের ফলে অনেক আগাছাও বৃদ্ধি পায় এবং সেই আগাছাগুলি যদি উপড়ে না ফেলা হয় তা হলে ভক্তিলতার বৃদ্ধি বাধাপ্রাপ্ত হবে
। ( ৪ ) এই সমস্ত আগাছাগুলি হচ্ছে জড় বিষয় ভোগের প্রতি আসক্তি , সাযুজ্য মুক্তি এবং ধর্ম , অর্থ , কাম এবং মোক্ষ বাসনা ।
( ৫ ) অন্যান্য আগাছাগুলি হচ্ছে শাস্ত্র নির্দেশের অনুশীলনে অনীহা , জীব - হিংসা এবং লাভ , পূজা ও প্রতিষ্ঠা
( ৬ ) উপযুক্ত সাবধানতা গ্রহণ না করা হলে জলসিঞ্চনের ফলে আগাছাগুলি বৃদ্ধি পেয়ে মূল লতার সুষ্ঠু বৃদ্ধিতে ব্যাঘাত সৃষ্টি করবে এবং তার ফলে চরম ফল ভগবৎ - প্রেম লাভ হবে না ।
( ৭ ) তাই ভক্তের কর্তব্য হচ্ছে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে প্রথম থেকে সমস্ত আগাছাগুলিকে তুলে ফেলা । তবেই কেবল ভক্তিলতার যথাযথ বৃদ্ধি সম্ভব হবে ।
( ৮ ) আর তার ফলে ভগবদ্ভুক্ত ভগবৎ - প্রেম রূপ ফল আস্বাদন করতে পারবেন এবং এই জীবনেই সর্বক্ষণ পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গ লাভ করতে পারবেন । জীবনের পরম সিদ্ধি হচ্ছে নিরস্তর ভগবানের সঙ্গ লাভ করা , এবং যিনি তা আস্বাদন করেছেন তিনি আর অন্য কোন উপায়ে এই জড় জগতে অনিত্য সুখের আকাঙ্ক্ষা করেন না ।
পূরবর্তী শ্লোক দেখুন অথবা পরবর্তী শ্লোক
শ্রীমদ্ভাগবত
শ্রীমদ্ভাগবত গীতা ১৮শ অধ্যায় মোক্ষযোগ
শ্রীকৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাস কৃত শ্রীমদ্ভাগবত
শ্রীমদ্ভাগবত ১ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ২য় স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৩য় স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৩য় স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৪র্থ স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৪র্থ স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৫ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৬ষ্ঠ স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৭ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৮ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৯ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ৩য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ৪র্থ ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১১শ স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১১শ স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১২শ স্কন্ধ
সুনির্বাচিত গ্রন্থের তালিকা
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত
(আদি মধ্য ও অন্ত্য)
শ্রীশ্রীচৈতন্যভাগবত
ভক্তিরসামৃত সিন্ধু
শ্রীকৃষ্ণকর্ণামৃতম্
শ্রীশিক্ষাষ্টক
শ্রীভক্তিকল্পবৃক্ষ
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত আদিলীলা
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত মধ্যলীলা- ১ম খন্ড
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত মধ্যলীলা- ২য় খন্ড
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত অন্ত্যলীলা
অপ্রাকৃত কৃষ্ণপ্রসাদ
কুন্তীদেবীর শিক্ষা !
শ্রীমদ্ভাগবত
প্রকৃতির নিয়ম
কর্মের অবশ্যম্ভাবী ফল
পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ
ভক্তবৎসল শ্রীনৃসিংহদেব
জাগ্রত চেতনা
ভক্ত প্রশিক্ষণ
ভক্তিগীতি - সঞ্চয়ন
একাদশী মাহাত্ম্য
গৌর-কৃষ্ণ-জগন্নাথ
গৃহে বসে কৃষ্ণ ভজন
শ্রীহরিনামামৃত
শ্রীঈশোপনিষদ
জগতে আমরা কোথায় ?
জীবন আসে জীবন থেকে
কীর্তন করুন এবং সুখী হোন
কৃষ্ণভাবনাময় জীবনের প্রস্তুতি
কৃষ্ণভক্তি অনুশীলনের পন্থা
শ্রীকৃষ্ণের সন্ধানে
নিত্য আনন্দের পথ নির্দেশ
পরলোকে সুগম যাত্রা
যুগাচার্য শ্রীল প্রভুপাদ
প্রেমভক্তি চন্দ্রিকা
পুনরাগমন
মহাজন উপদেশ
বাল্মীকি রামায়ণ
শ্রীউপদেশামৃত
বৈষ্ণব সদাচার
বৈষ্ণব শিক্ষা ও সাধনা
মহাজন উপদেশ
*
ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
জপ-কীর্তন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 2 দশ নামাপরাধ
*
আচার-আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
মৃত্যু সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক (মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র)
*
ভক্ত সম্বন্ধীয় গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 ,
4 ,
5 ,
*
ভক্তিমূলক সেবা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 ,
4 ,
5 ,
*
কর্তব্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
গুরু / শিষ্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 ,
2 ,
3 ,
*
মানবজন্ম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
নির্বিশেষবাদ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
কলিযুগ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
জ্ঞান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোকে
Page => 1 , 2
*
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 ,
6 ,
*
মায়া সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 ,
*
অভক্ত সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
*
আত্মা-পরমাত্মা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
জড় জগৎ ও চিন্ময় জগৎ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
যোগ, তপশ্চর্যা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
বর্ণাশ্রম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
শ্রীমদ্ভাগবতের গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 , 6 ,
7 , 8 ,
9 , 10 ,
11 , 12 ,
*
শ্রীমদ্ভাগবত গীতা থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 , 6
*
চৈতন্য চরিতামৃত থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2
*
পূরাণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
চাণক্য পণ্ডিতের কিছু গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
ব্রহ্মসংহিতা থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
উপনিষদের গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
শিক্ষাষ্টক এর গুরুত্বপূর্ণ শ্লোকগুলো
*
ভক্তিরসামৃত সিন্ধু থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
বিবিধ গ্রন্থের গুরুত্বপূর্ণ কিছু শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 , 6 ,
শ্রী শ্রী দামোদরাষ্টকম্
শ্রীশ্রীগুর্বষ্টকম্
দশাবতার স্তোত্র
এছাড়াও দেখুন
*
শ্রীভগবানের মুখে যুদ্ধের কথা কেন?
*
ধর্ম্ম কি বিজ্ঞান ছাড়া ? ভোগবাদীদের কতিপয় যুক্তি!
*
সত্ত্ব, রজো ও তমোগুণে প্রভাবিত মানুষের লক্ষণঃ
*
আমাদের বিশেষ বিশেষ ধরণের স্বভাব, আচরণ কেন?
*
প্রণাম মন্ত্র
For Ad Contact
0183 45 45 989
শ্রী শ্রী দামোদরাষ্টকম্
শ্রীশ্রীগুর্বষ্টকম , গুরুদেবের বন্দনা
শ্রীল প্রভুপাদ এর অবদান-
জপ-কীর্তন কেন করবেন ?
*
সত্যিই কি ঈশ্বর আছেন?
*
বিজ্ঞানী নিউটন কর্তৃক ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণঃ
*
অযৌক্তিক বিগ ব্যাং থিওরি !
*
সমগ্র সৃষ্টির ব্যাপারে বৈদিক সিদ্ধান্ত কি?
*
সমগ্র সৃষ্টির রহস্য ও উৎস কি?  
*
" জয় শ্রীকৃষ্ণ "