শ্রীকৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাস কৃত শ্রীমদ্ভাগবত এর গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক ও তাৎপর্য ।
কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ কর্তৃক মূল সংস্কৃত শ্লোক, অনুবাদ এবং বিশদ তাৎপর্যসহ ইংরেজি SRIMAD BHAGAVATAM গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ
শ্রীমদ্ভাগবত ২য় স্কন্ধ, অধ্যায়-২, (হৃদয়াভ্যন্তরস্থ ভগবান )
শ্লোক: ৩৫
ভগবান্ সর্বভূতেষু লক্ষিতঃ স্বাত্মনা হরিঃ ৷
দৃশ্যৈর্বুদ্ধ্যাদিভির্দ্রষ্টা লক্ষণৈরনুমাপকৈঃ ৷৷ ৩৫ ৷৷
অনুবাদ :
পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ প্রতিটি জীবের হৃদয়ে অন্তর্যামীরূপে বিরাজ করেন । দর্শন দ্বারা এবং বুদ্ধি দ্বারা বিচারপূর্বক সেই সত্য অনুভব করা যায় ।
তাৎপর্যঃ-
সাধারণ মানুষেরা অনেক সময় তর্ক করে যে , ভগবানকে যেহেতু চক্ষুর দ্বারা দর্শন করা যায় না , তাই কিভাবে তার শরণাগত হওয়া সম্ভব অথবা ভক্তিযোগে তার সেবা করা সম্ভব ? সেই সমস্ত সাধারণ মানুষদের জন্য শ্রীল শুকদেব গোস্বামী কিভাবে বিচার এবং বুদ্ধির দ্বারা ভগবানকে অনুভব করা যায় তার একটি ব্যবহারিক উপদেশ এখানে দিয়েছেন । আসলে আমাদের জড় ইন্দ্রিয়ের দ্বারা ভগবানকে কখনোই দর্শন করা সম্ভব নয় , কিন্তু কেউ যখন ভগবানের প্রতি সেবা - বৃত্তির প্রভাবে ভগবানের অস্তিত্ব সম্বন্ধে দৃঢ়প্রত্যয় হন , তখন ভগবানের কৃপায় সেই শুদ্ধ ভক্ত সর্বদা সর্বত্র ভগবানের উপস্থিতি অনুভব করতে পারেন । তখন তিনি অনুভব করতে পারেন যে , তার বুদ্ধিমত্তা পরমেশ্বর ভগবানের অংশ প্রকাশ পরমাত্মারই নির্দেশস্বরূপ । পরমাত্মা যে সকলের হৃদয়েই বিরাজ করেছেন তা হৃদয়ঙ্গম করা খুব একটা কঠিন নয় । তাকে হৃদয়ঙ্গম করার পন্থাটি হচ্ছে এই রকমসকলেই তার ব্যক্তিগত সত্তা অনুভব করতে পারে এবং নিশ্চিতভাবে তার অস্তিত্ব উপলব্ধি করতে পারে । আকস্মিকভাবে সেই অনুভূতির প্রকাশ নাও হতে পারে , কিন্তু বুদ্ধির দ্বারা বিচার করলে সে সহজেই অনুমান করতে পারে যে সে তার দেহ নয় । সে অনুভব করতে পারে যে তার হাত , তার পা , তার মাথা , তার চুল এবং তার দেহের অন্যান্য সমস্ত অঙ্গ - প্রত্যঙ্গ তার দেহের বিভিন্ন অংশ , কিন্তু তার হাত , পা , মাথা ইত্যাদি তার প্রকৃত স্বরূপ নয় । এইভাবে বুদ্ধির দ্বারা সে তার আত্মা এবং দৃশ্য বস্তুর পার্থক্য নিরূপণ করতে পারে । এইভাবে সহজেই স্থির করা যায় যে জীব , তা সে মানুষই হোক বা পশুই হোক , হচ্ছে দ্রষ্টা , এবং সে নিজেকে ছাড়া অন্য সবকিছুই দর্শন করছে । অতএব দ্রষ্টা এবং দৃশ্যের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে । এখন একটু বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগের দ্বারা সহজেই বুঝতে পারা যায় যে সাধারণ দৃষ্টিতে আত্মা ছাড়া অন্য আর যা কিছু দর্শন হয় , তাদের স্বতন্ত্রভাবে দর্শন করার বা চলাফেরা করার কোন শক্তি নেই ।
আমাদের সমস্ত সাধারণ কার্যকলাপ এবং অনুভূতি নির্ভর করে প্রকৃতি কর্তৃক প্রদত্ত বিভিন্ন প্রকার শক্তির মাধ্যমে । আমাদের পাচটি জ্ঞানেন্দ্রিয়— ( ১ ) চক্ষু , ( ২ ) কর্ণ , ( ৩ ) নাসিকা , ( ৪ ) জিহ্বা , ( ৫ ) ত্বক । পাচটি কর্মেন্দ্রিয়– ( ১ ) বাক্ , ( ২ ) পাণি , ( ৩ ) পাদ , ( ৪ ) পায়ু , ( ৫ ) উপস্থ এবং তিনটি অন্তরেন্দ্রিয় যথা —– ( ১ ) মন , ( ২ ) বুদ্ধি , ( ৩ ) অহঙ্কার – এই তেরটি ইন্দ্রিয় প্রকৃতির সূক্ষ্ম এবং স্থূল উপাদানের মাধ্যমে আমাদের সরবরাহ করা হয়েছে । তেমনই , আমাদের ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য সমস্ত বিষয়গুলি প্রকৃতির উপাদানগুলির অন্তহীন সমন্বয়ের প্রকাশ মাত্র । এইভাবে প্রমাণিত হয় যে জীবের স্বতন্ত্রভাবে দর্শন করার অথবা চলাফেরা করার কোন ক্ষমতা নেই এবং যতই আমরা নিশ্চিতভাবে অনুভব করতে পারি যে আমাদের অস্তিত্ব প্রকৃতির শক্তির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে , ততই আমরা স্থির সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে যিনি দর্শন করেন তিনি হচ্ছেন চেতন আত্মা , আর ইন্দ্রিয়সমূহ এবং ইন্দ্রিয়ের বিষয়গুলি হচ্ছে জড় । দ্রষ্টার চিন্ময় গুণাবলী প্রকাশ পায় সীমিত জড়া প্রকৃতির বদ্ধ অবস্থায় তার অতৃপ্তির মাধ্যমে । চেতন এবং জড়ের মধ্যে এটিই হচ্ছে পার্থক্য । কিছু মূর্খ লোক তর্ক করে , জড়ের মধ্যে দর্শন করার এবং গমনাগমন করার শক্তি বিকশিত হয়েছে । যেমন অনেক সময় প্রকৃতিতে প্রাণীদের ক্রমবিকাশ হতে দেখা যায় কিন্তু এই প্রকার যুক্তি স্বীকার করা যায় না , কেননা এমন কোন প্রমাণ কোথাও পাওয়া যায় না যে জড় পদার্থ থেকে জীবনের উদ্ভব হয়েছে অথবা জড় পদার্থ জীবন সৃষ্টি করেছে । এই সমস্ত মূর্খ লোকেরা প্রতিশ্রুতি দেয় যে ভবিষ্যতে তারা দেখাবে কিভাবে জড় থেকে জীবনের উদ্ভব হয় । কিন্তু তাদের এই মূর্খ এবং প্রবঞ্চনাপূর্ণ প্রতিশ্রুতি কোন দিনই সফল হবে না , কেননা পৃথিবীর কোথাও জড় পদার্থ থেকে দর্শন করার অথবা চলাফেরা করার ক্ষমতা উদ্ভব হয়েছে বলে শোনা যায়নি । অতএব নিশ্চিতভাবে স্থির করা যায় যে জড় এবং চেতন দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বস্তু , এবং এই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগের দ্বারা । এখন আমরা বিচার করে দেখতে পারি যে বুদ্ধিমত্তার অল্প প্রয়োগের দ্বারা যে দর্শন হয় তা আপনা থেকেই হয় না , পক্ষাস্তরে কেউ নিশ্চয়ই সেই বুদ্ধির ব্যবহার করছেন অথবা প্রয়োগ করছেন । বুদ্ধি আমাদের পরিচালিত করে , এবং এই বুদ্ধির প্রয়োগ ব্যতীত জীব কিছুই দেখতে পারে না অথবা চলাফেরা করতে পারে না অথবা খেতে রে না অথবা অন্য কোন কিছুই করতে পারে না । কেউ যখন যথাযথভাবে তার বুদ্ধির ব্যবহার করতে পারে না , তখন সে বিকৃত মস্তিষ্ক হয়ে যায় । এইভাবে দেখা যায় যে জীব তার বুদ্ধির উপর নির্ভরশীল অথবা উন্নত কোন সত্তার পরিচালনার উপর নির্ভরশীল । এই বুদ্ধি সর্বব্যাপ্ত । প্রতিটি জীবেরই নিজস্ব বুদ্ধিমত্তা রয়েছে , এবং এই বুদ্ধি কোন উন্নততর নিয়স্তা কর্তৃক পরিচালিত হয় , ঠিক যেমন পিতা তার পুত্রকে পরিচালিত করেন । সেই পরিচালক , যিনি সমস্ত জীবের হৃদয়ে বিরাজ করছেন , তিনিই হচ্ছেন পরমাত্মা ।
আমাদের অনুসন্ধানের এই পর্যায়ে আমরা নিম্নলিখিত প্রশ্নটি বিবেচনা করতে পারি । একদিক দিয়ে আমরা উপলব্ধি করতে পারি যে আমাদের সমস্ত অনুভূতি বা কার্যকলাপ জড়া প্রকৃতির দ্বারা পরিচালিত , তথাপি সাধারণত আমাদের অনুভব হয় বা আমরা বলি , ' আমি দেখছি ' অথবা ' আমি করছি । ' অতএব আমরা বলতে পারি যে আমাদের জড় কর্মেন্দ্রিয় এবং জ্ঞানেন্দ্রিয়গুলি ক্রিয়া করছে , কেননা আমরা আমাদের
জড় দেহকে আমাদের আত্মা বলে মনে করছি এবং পরমাত্মা আমাদের পরিচালিত করছেন এবং আমাদের বাসনা অনুসারে সবকিছু সরবরাহ করছেন । বুদ্ধিরূপে পরমাত্মা যে আমাদের পরিচালনা করছেন , তা স্বীকার করার ফলে আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত — ' আমি এই দেহ নই ' সম্বন্ধে অধ্যয়ন করতে পারি এবং ব্যবহারিক ভাবে সেই উপলব্ধি অনুশীলন করতে পারি , অথবা নিজেদের কর্তা এবং ভোক্তা বলে অভিমান করে জড় জগতে মিথ্যা পরিচয়ের বন্ধনে আবদ্ধ থাকতে পারি । জড় জগতের ভ্রান্ত ধারণার অভিমুখে অথবা প্রকৃত পারমার্থিক উপলব্ধির অভিমুখে আমাদের বাসনা পরিচালিত করার স্বাধীনতা আমাদের রয়েছে । পরমাত্মাকে আমাদের প্রকৃত বন্ধু এবং পরিচালকরূপে হৃদয়ঙ্গম করার মাধ্যমে এবং আমাদের বুদ্ধি দিয়ে পরমাত্মার উন্নত বুদ্ধির দ্বারা পরিচালিত হওয়ার মাধ্যমে আমরা অনায়াসে প্রকৃত পারমার্থিক স্তরে উন্নীত হতে পারি । পরমাত্মা এবং আত্মা উভয়েই চিন্ময় , এবং তাই গুণগতভাবে পরমাত্মা ও জীবাত্মা এক এবং উভয়েই জড় পদার্থ থেকে ভিন্ন । কিন্তু তা বলে পরমাত্মা এবং জীবাত্মা সমান নন । কেননা পরমাত্মা জীবকে পরিচালিত করেন অথবা বুদ্ধিমত্তা দান করেন , আর জীব তার নির্দেশ অনুসরণ করে , এবং তখনই সমস্ত কার্য যথাযথভাবে সম্পাদিত হয় । জীব পরমাত্মার নির্দেশের উপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভরশীল , কেননা দর্শন , শ্রবণ , চিন্তন , অনুভব , ইচ্ছ ) ইত্যাদি সমস্ত ব্যাপারেই জীবাত্মা প্রতি পদক্ষেপে পরমাত্মার নির্দেশ অনুসরণ করছে ।
সাধারণ জ্ঞানের পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের সিদ্ধান্ত হচ্ছে যে , জড় , আত্মা এবং পরমাত্মা এই তিনটি পরিচিতি রয়েছে । আমরা যদি শ্রীমদ্ভগবদগীতা বা বৈদিক বুদ্ধিমত্তার শরণ গ্রহণ করি , তা হলে আমরা দেখতে পাই যে এই তিনটি পরিচিতি পরমেশ্বর ভগবানের উপর নির্ভরশীল । পরমাত্মা হচ্ছেন পরমেশ্বর ভগবানের প্রতিনিধিরূপী অংশ । শ্রীমদ্ভগবদগীতায় প্রতিপন্ন হয়েছে যে , পরমেশ্বর ভগবান তার আংশিক প্রকাশের দ্বারা সমগ্র জড় জগতের উপর আধিপত্য করেন । ভগবান মহান , এবং তিনি কেবল জীবের বস্তু সরবরাহকারী হতে পারেন না , তাই পরমাত্মা পরমেশ্বর ভগবান বা পুরুষোত্তম ভগবানের পূর্ণ প্রকাশ হতে পারেন না । পরমাত্মাকে উপলব্ধির মাধ্যমে জীবাত্মার আত্মা - উপলব্ধি শুরু হয় , তারপর শাস্ত্র অধ্যয়নের ফলে এবং বিশেষ করে সদ্গুরুর কৃপার ফলে , জীব তার বুদ্ধিমত্তার দ্বারা পরমেশ্বর ভগবানকে উপলব্ধি করতে পারে । শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা হচ্ছে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সম্বন্ধে প্রাথমিক জ্ঞান এবং শ্রীমদ্ভাগবত আরও গভীরভাবে এই ভগবত্ব - বিজ্ঞান বিশ্লেষণ করে । তাই আমরা যদি দৃঢ়সঙ্কল্প হয়ে আমাদের দেহরূপ বৃক্ষে ( উপনিষদে বর্ণিত ) অবস্থিত দুটি পাখির মধ্যে একটির অর্থাৎ বুদ্ধির পরিচালক পরমাত্মার কৃপা ভিক্ষা করি , তা হলে অবশ্যই বৈদিক জ্ঞান আমাদের হৃদয়ে প্রকাশিত হবে এবং তখন পরমেশ্বর ভগবান শ্রীবাসুদেবকে উপলব্ধি করতে আর কোন অসুবিধা হবে না । বুদ্ধিমান মানুষ তাই বহু জন্ম - জন্মান্তরে এইভাবে তার বুদ্ধিমত্তার সদ্ব্যবহার করার পর পরমেশ্বর ভগবান শ্রীবাসুদেবের পাদপদ্মে নিজেকে সমর্পণ করেন , যে কথা শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় ( ৭/১৯ ) প্রতিপন্ন হয়েছে।
পূরবর্তী শ্লোক দেখুন অথবা পরবর্তী শ্লোক
শ্রীমদ্ভাগবত
শ্রীমদ্ভাগবত গীতা ১৮শ অধ্যায় মোক্ষযোগ
শ্রীকৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাস কৃত শ্রীমদ্ভাগবত
শ্রীমদ্ভাগবত ১ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ২য় স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৩য় স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৩য় স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৪র্থ স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৪র্থ স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৫ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৬ষ্ঠ স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৭ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৮ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৯ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ৩য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ৪র্থ ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১১শ স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১১শ স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১২শ স্কন্ধ
সুনির্বাচিত গ্রন্থের তালিকা
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত
(আদি মধ্য ও অন্ত্য)
শ্রীশ্রীচৈতন্যভাগবত
ভক্তিরসামৃত সিন্ধু
শ্রীকৃষ্ণকর্ণামৃতম্
শ্রীশিক্ষাষ্টক
শ্রীভক্তিকল্পবৃক্ষ
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত আদিলীলা
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত মধ্যলীলা- ১ম খন্ড
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত মধ্যলীলা- ২য় খন্ড
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত অন্ত্যলীলা
অপ্রাকৃত কৃষ্ণপ্রসাদ
কুন্তীদেবীর শিক্ষা !
শ্রীমদ্ভাগবত
প্রকৃতির নিয়ম
কর্মের অবশ্যম্ভাবী ফল
পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ
ভক্তবৎসল শ্রীনৃসিংহদেব
জাগ্রত চেতনা
ভক্ত প্রশিক্ষণ
ভক্তিগীতি - সঞ্চয়ন
একাদশী মাহাত্ম্য
গৌর-কৃষ্ণ-জগন্নাথ
গৃহে বসে কৃষ্ণ ভজন
শ্রীহরিনামামৃত
শ্রীঈশোপনিষদ
জগতে আমরা কোথায় ?
জীবন আসে জীবন থেকে
কীর্তন করুন এবং সুখী হোন
কৃষ্ণভাবনাময় জীবনের প্রস্তুতি
কৃষ্ণভক্তি অনুশীলনের পন্থা
শ্রীকৃষ্ণের সন্ধানে
নিত্য আনন্দের পথ নির্দেশ
পরলোকে সুগম যাত্রা
যুগাচার্য শ্রীল প্রভুপাদ
প্রেমভক্তি চন্দ্রিকা
পুনরাগমন
মহাজন উপদেশ
বাল্মীকি রামায়ণ
শ্রীউপদেশামৃত
বৈষ্ণব সদাচার
বৈষ্ণব শিক্ষা ও সাধনা
মহাজন উপদেশ
*
ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
জপ-কীর্তন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 2 দশ নামাপরাধ
*
আচার-আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
মৃত্যু সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক (মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র)
*
ভক্ত সম্বন্ধীয় গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 ,
4 ,
5 ,
*
ভক্তিমূলক সেবা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 ,
4 ,
5 ,
*
কর্তব্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
গুরু / শিষ্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 ,
2 ,
3 ,
*
মানবজন্ম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
নির্বিশেষবাদ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
কলিযুগ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
জ্ঞান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোকে
Page => 1 , 2
*
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 ,
6 ,
*
মায়া সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 ,
*
অভক্ত সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
*
আত্মা-পরমাত্মা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
জড় জগৎ ও চিন্ময় জগৎ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
যোগ, তপশ্চর্যা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
বর্ণাশ্রম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
শ্রীমদ্ভাগবতের গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 , 6 ,
7 , 8 ,
9 , 10 ,
11 , 12 ,
*
শ্রীমদ্ভাগবত গীতা থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 , 6
*
চৈতন্য চরিতামৃত থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2
*
পূরাণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
চাণক্য পণ্ডিতের কিছু গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
ব্রহ্মসংহিতা থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
উপনিষদের গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
শিক্ষাষ্টক এর গুরুত্বপূর্ণ শ্লোকগুলো
*
ভক্তিরসামৃত সিন্ধু থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
বিবিধ গ্রন্থের গুরুত্বপূর্ণ কিছু শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 , 6 ,
শ্রী শ্রী দামোদরাষ্টকম্
শ্রীশ্রীগুর্বষ্টকম্
দশাবতার স্তোত্র
এছাড়াও দেখুন
*
শ্রীভগবানের মুখে যুদ্ধের কথা কেন?
*
ধর্ম্ম কি বিজ্ঞান ছাড়া ? ভোগবাদীদের কতিপয় যুক্তি!
*
সত্ত্ব, রজো ও তমোগুণে প্রভাবিত মানুষের লক্ষণঃ
*
আমাদের বিশেষ বিশেষ ধরণের স্বভাব, আচরণ কেন?
*
প্রণাম মন্ত্র
For Ad Contact
0183 45 45 989
শ্রী শ্রী দামোদরাষ্টকম্
শ্রীশ্রীগুর্বষ্টকম , গুরুদেবের বন্দনা
শ্রীল প্রভুপাদ এর অবদান-
জপ-কীর্তন কেন করবেন ?
*
সত্যিই কি ঈশ্বর আছেন?
*
বিজ্ঞানী নিউটন কর্তৃক ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণঃ
*
অযৌক্তিক বিগ ব্যাং থিওরি !
*
সমগ্র সৃষ্টির ব্যাপারে বৈদিক সিদ্ধান্ত কি?
*
সমগ্র সৃষ্টির রহস্য ও উৎস কি?  
*
" জয় শ্রীকৃষ্ণ "