শ্রীকৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাস কৃত শ্রীমদ্ভাগবত এর গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক ও তাৎপর্য ।
কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ কর্তৃক মূল সংস্কৃত শ্লোক, অনুবাদ এবং বিশদ তাৎপর্যসহ ইংরেজি SRIMAD BHAGAVATAM গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ
শ্রীমদ্ভাগবত ২য় স্কন্ধ, অধ্যায়-৩, (শুদ্ধ ভক্তিঃ হৃদয়ের পরিবর্তন )
শ্লোক: ২৪
তদশ্মসারং হৃদয়ং বতেদং
যদ্গৃহ্যমানৈর্হরিনামধেয়ৈঃ।
ন বিক্রিয়েতাথ যদা বিকারো
নেত্রে জলং গাত্ররুহেষু হৰ্ষঃ ৷৷২৪ ৷৷
অনুবাদ :
হরিনাম গ্রহণ করা সত্ত্বেও যার হৃদয় দ্রবীভূত হয় না, নেত্র অশ্রুপূর্ণ হয় না এবং লোমসমুহ আনন্দে পুলকিত হয় না, তার হৃদয় অবশ্যই ইস্পাতের আবরণে আচ্ছাদিত ।
তাৎপর্যঃ-
আমরা দেখতে পাই যে, শ্রীমদ্ভাগবতের দ্বিতীয় স্কন্ধের প্রথম তিনটি অধ্যায়ে ভগবদ্ভক্তির ক্রমবিকাশ বর্ণনা করা হয়েছে । প্রথম অধ্যায়ে শ্রবণ এবং কীর্তনের মাধ্যমে ভগবদ্ভক্তির প্রথম স্তর বর্ণনা করা হয়েছে, এবং নবীন ভক্তদের জন্য ভগবানের বিশ্বরূপের মাধ্যমে ভগবানের স্থূল ধারণা প্রদান করা হয়েছে । ভগবানের শক্তির ভৌতিক প্রকাশের মাধ্যমে মন এবং ইন্দ্রিয়গুলিকে চিন্ময় স্তরে উন্নীত করা যায়, এবং ধীরে ধীরে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীবিষ্ণুর ধ্যানে মনকে মগ্ন করা যায়, যিনি পরমাত্মারূপে ব্রহ্মাণ্ডের সর্বত্র প্রতিটি জীবের হৃদয়ে এবং প্রতিটি পরমাণুতে বিরাজমান । সাধারণ মানুষের পাঁচ প্রকার মনোবৃত্তির জন্য যে পঞ্চ উপাসনার পদ্ধতি রয়েছে তাও এই উদ্দেশ্য সাধনের জন্যই । অর্থাৎ শ্রেষ্ঠ থেকে শ্রেষ্ঠতরের পূজা করার ক্রমোন্নতির পদ্ধতি, যেমন অগ্নি, বিদ্যুৎ, সূর্য, সমগ্র জীবসত্তা, শিব এবং অবশেষে ভগবান শ্রীবিষ্ণুর আংশিক অভিব্যক্তি নির্বিশেষ পরমাত্মা । সে সব অত্যন্ত সুন্দরভাবে দ্বিতীয় অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে । কিন্তু তৃতীয় অধ্যায়ে ক্রমোন্নতির পরবর্তী পর্যায় বর্ণিত হয়েছে তাঁদের জন্য, যাঁরা যথার্থই শ্রীবিষ্ণুর আরাধনার স্তর প্রাপ্ত হয়েছেন বা শুদ্ধভক্তি লাভ করেছেন এবং এখানে বিষ্ণুপূজার পরিপক্ক অবস্থার কথা বর্ণনা করা হয়েছে যার ফলে হৃদয়ের পরিবর্তন হয়।
পারমার্থিক সংস্কৃতির সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য হচ্ছে জীবের হৃদয়ের পরিবর্তন সাধন করা যার ফলে সে পরমেশ্বর ভগবানের নিত্য সেবকরূপে তার স্বরূপ উপলব্ধি করতে পারে । তাই ভগবদ্ভক্তির প্রগতির ফলে হৃদয়ে যে পরিবর্তন হয় তার প্রকাশ হয় ধীরে ধীরে জড় জগতের উপর আধিপত্য করার প্রবণতা প্রসূত ইন্দ্রিয় সুখভোগের প্রতি বিরক্তি এবং ভগবানের প্রেমময়ী সেবার প্রতি আসক্তির মাধ্যমে । বিধি-ভক্তি বা দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের দ্বারা ( যথা চক্ষু, কর্ণ, নাসিকা, হস্ত, পদ, যা পূর্বে বিশ্লেষণ করা হয়েছে ) সাধিত ভক্তি এখানে এখন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কার্যকলাপের প্রেরণা প্রদানকারী মনের পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ ভাবে বর্ণনা করা হয়েছে । সর্বতোভাবে আশা করা হয় যে,
বৈধী-ভক্তি অনুশীলনের ফলে অবশ্যই হৃদয়ের পরিবর্তন হবে । সেরকম পরিবর্তন যদি না হয়, তা হলে বুঝতে হবে যে, সেই হৃদয় কঠিন ইস্পাতে গাঁথা, কেননা ভগবানের পবিত্র নাম গ্রহণ করা সত্ত্বেও তা দ্রবীভূত হল না । আমাদের সব সময় মনে রাখতে হবে যে, ভগবদ্ভক্তির অনুশীলনে শ্রবণ এবং কীর্তন হচ্ছে সব চেয়ে মুখ্য অঙ্গ, এবং তা যদি যথাযথভাবে অনুষ্ঠিত হয়, তা হলে অশ্রু, পুলক আদি লক্ষণ সমন্বিত অপ্রাকৃত আনন্দের উপলব্ধি হবে । এইগুলি ভগবৎ-প্রেমের পূর্ণ অবস্থা প্রাপ্ত হওয়ার পূর্বে ভাব-স্তরের প্রাথমিক লক্ষণ, যা স্বাভাবিকভাবেই প্রকাশিত হয় ।
ভগবানের দিব্য নাম নিরন্তর শ্রবণ এবং কীর্তন করার ফলেও যদি এই ধরনের প্রতিক্রিয়া না হয়, তা হলে বুঝতে হবে যে, নাম-অপরাধ হচ্ছে । এটি সন্দর্ভের সিদ্ধান্ত । ভগবানের নাম গ্রহণের প্রাথমিক অবস্থায় দশটি অপরাধ থেকে মুক্ত হওয়ার ব্যাপারে ভক্ত যদি বিশেষভাবে সতর্ক না হন, তা হলে অশ্রু, পুলক আদি লক্ষণের মাধ্যমে ভগবৎ-বিরহের প্রতিক্রিয়া দেখা যাবে না ।
ভাব-স্তরের প্রকাশ হয় আটটি অপ্রাকৃত লক্ষণের মাধ্যমে । যথা — জাড্য, স্বেদ, পুলক, গদগদ্, কম্প, বৈবর্ণ, অশ্রু, এবং অবশেষে সমাধি । শ্রীল রূপ গোস্বামীর ভক্তিরসামৃতসিন্ধু নামক গ্রন্থে এই সমস্ত অপ্রাকৃত লক্ষণ এবং স্থায়ী ও সঞ্চারী ভাবের বিশদ বর্ণনা করা হয়েছে ।
কিছু দুরাচারী কনিষ্ঠ ভক্ত যে সস্তা খ্যাতি লাভের জন্য উপরোক্ত লক্ষণগুলির অনুকরণ করে, সেই প্রসঙ্গে এই সমস্ত ভাবগুলির আলোচনাত্মক ব্যাখ্যা শ্রীল বিশ্বনাথ চক্রবর্তী ঠাকুর করেছেন । কেবল বিশ্বনাথ চক্রবর্তী ঠাকুর নন, শ্রীল রূপ গোস্বামীও এই সম্বন্ধে আলোচনাত্মক ব্যাখ্যা করেছেন । কখনো কখনো প্রাকৃত সহজিয়ারা ভগবৎ-প্রেমানন্দের এই আটটি লক্ষণের অনুকরণ করে থাকে, কিন্তু সেই সমস্ত কপট অনুকরণ তখনই ধরা পড়ে যায়, যখন দেখা যায় যে সেই সমস্ত কপট ভক্তরা নানারকম অবৈধ কর্মের প্রতি আসক্ত । ভক্তের বেশ ধারণ করা সত্ত্বেও যদি কোন ব্যক্তি ধূমপান, আসবপান অথবা অবৈধ স্ত্রী সঙ্গের প্রতি আসক্ত থাকে, তা হলে সে কখনোই উপরোক্ত ভাবের লক্ষণগুলি উপলব্ধি করতে পারে না । কিন্তু কখনো কখনো দেখা যায় যে, এই সমস্ত লক্ষণগুলি স্বেচ্ছায় অনুকরণ করা হচ্ছে, এবং তাই শ্রীল বিশ্বনাথ চক্রবর্তী ঠাকুর সেই সমস্ত অনুকরণকারীদের পাষাণ হৃদয় মানুষ বলে বর্ণনা করেছেন । তারা কখনো কখনো এই সমস্ত অপ্রাকৃত লক্ষণের আভাস হয়ত অনুভব করতে পারে, কিন্তু তারা যদি অবৈধ কার্যকলাপগুলি পরিত্যাগ না করে, তা হলে তাদের পারমার্থিক উপলব্ধির চেষ্টা অবশ্যই ব্যর্থ হবে ।
কভুরে গোদাবরী নদীর তীরে যখন শ্রীল রামানন্দ রায়ের সঙ্গে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর সাক্ষাৎ হয়, তখন শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর শ্রীঅঙ্গে এই সমস্ত লক্ষণগুলি প্রকাশ পাচ্ছিল, কিন্তু রামানন্দ রায়ের পার্যদ কতিপয় অভক্ত ব্রাহ্মণের উপস্থিতির ফলে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু তাঁর ভাব সংবরণ করেন । তাই কখনো কখনো পারিপার্শ্বিক অবস্থাজনিত
কারণে মহাভাগবতের শ্রীঅঙ্গেও এই লক্ষণগুলি প্রকাশ পেতে দেখা যায় না । তাই প্রকৃত স্থায়ীভাব যথাযথভাবে প্রকাশিত হয় ক্ষান্তি ( জড় বাসনার সমাপ্তি ), অব্যর্থ কালত্বম্ ( প্রতিটি ক্ষণ ভগবানের অপ্রাকৃত প্রেমময়ী সেবায় নিযুক্ত করা ), নাম গানে সাদারুচি ( নিরন্তর ভগবানের মহিমা কীর্তনে ঔৎসুক্য ), প্রীতিস্তদ্বসতিস্থলে ( ভগবানের ধামে বাস করার আকর্ষণ ), বিরক্তি ( সমস্ত জড় সুখের প্রতি পূর্ণ অনাসক্তি), এবং মানশূন্যতা ( গর্বহীনতা ) আদি গুণগুলির মাধ্যমে । যিনি এই সমস্ত অপ্রাকৃত গুণগুলি অর্জন করেছেন তিনিই প্রকৃত ভাবদশা প্রাপ্ত হন, পাষাণ হৃদয় অনুকরণকারী প্রাকৃত অভক্তরা কখনোই সেই দশা প্রাপ্ত হয় না ।
সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটির সারাংশ বিশ্লেষণ করে বলা যায়-- অনেক উন্নত ভক্ত সম্পূর্ণরূপে নিরপরাধ হয়ে ভগবানের পবিত্র নাম জপ করেন এবং যিনি সকলের প্রতি মৈত্রীভাবাপন্ন তিনিই বাস্তবিকভাবে ভগবানের মহিমা কীর্তনের অপ্রাকৃত আনন্দ আস্বাদন করতে পারেন ; এবং সেই উপলব্ধি পরিলক্ষিত হয় সবরকম জড় বিষয়ের প্রতি বিরক্তি আদি উপরোক্ত লক্ষণগুলির মাধ্যমে । ভগবদ্ভক্তির নিম্নতর অবস্থায় অবস্থিত হওয়ার ফলে কনিষ্ঠ ভক্তেরা স্বভাবতই মাৎসর্যপরায়ণ এবং তাই তারা আচার্যদের অনুগমন না করে নিজেদের মনগড়া ভগবদ্ভক্তির বিধি-নিয়মের উদ্ভাবন করে। আপাতদৃষ্টিতে নিরন্তর ভগবানের দিব্য নাম জপ করার অভিনয় করলেও তারা ভগবানের নামের অপ্রাকৃত স্বাদ আস্বাদন করতে পারে না । তাই, তাদের অশ্রু, কম্প, স্বেদ, মূৰ্চ্ছা ইত্যাদি নিন্দনীয় অপরাধ ছাড়া আর কিছু নয় । তাদের উদ্ধারের একমাত্র পন্থা হচ্ছে শুদ্ধ ভক্তের সংস্পর্শে তাদের এই সমস্ত বদ অভ্যাসগুলির সংশোধন করা ; তা না হলে তাদের পাষাণ হৃদয় কখনোই দ্রবীভূত হবে না এবং তাদের ভবরোগেরও নিরাময় হবে না । আমাদের প্রকৃত আলয় ভগবদ্ধামে ফিরে যাওয়ার পথে আমাদের প্রগতি সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করে তত্ত্বদ্রষ্টা ভগবদ্ভক্তের নির্দেশনায় শাস্ত্রের উপদেশাবলী অনুসরণ করার উপর ।
পূরবর্তী শ্লোক দেখুন অথবা পরবর্তী শ্লোক
শ্রীমদ্ভাগবত
শ্রীমদ্ভাগবত গীতা ১৮শ অধ্যায় মোক্ষযোগ
শ্রীকৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাস কৃত শ্রীমদ্ভাগবত
শ্রীমদ্ভাগবত ১ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ২য় স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৩য় স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৩য় স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৪র্থ স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৪র্থ স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৫ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৬ষ্ঠ স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৭ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৮ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৯ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ৩য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ৪র্থ ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১১শ স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১১শ স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১২শ স্কন্ধ
সুনির্বাচিত গ্রন্থের তালিকা
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত
(আদি মধ্য ও অন্ত্য)
শ্রীশ্রীচৈতন্যভাগবত
ভক্তিরসামৃত সিন্ধু
শ্রীকৃষ্ণকর্ণামৃতম্
শ্রীশিক্ষাষ্টক
শ্রীভক্তিকল্পবৃক্ষ
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত আদিলীলা
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত মধ্যলীলা- ১ম খন্ড
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত মধ্যলীলা- ২য় খন্ড
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত অন্ত্যলীলা
অপ্রাকৃত কৃষ্ণপ্রসাদ
কুন্তীদেবীর শিক্ষা !
শ্রীমদ্ভাগবত
প্রকৃতির নিয়ম
কর্মের অবশ্যম্ভাবী ফল
পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ
ভক্তবৎসল শ্রীনৃসিংহদেব
জাগ্রত চেতনা
ভক্ত প্রশিক্ষণ
ভক্তিগীতি - সঞ্চয়ন
একাদশী মাহাত্ম্য
গৌর-কৃষ্ণ-জগন্নাথ
গৃহে বসে কৃষ্ণ ভজন
শ্রীহরিনামামৃত
শ্রীঈশোপনিষদ
জগতে আমরা কোথায় ?
জীবন আসে জীবন থেকে
কীর্তন করুন এবং সুখী হোন
কৃষ্ণভাবনাময় জীবনের প্রস্তুতি
কৃষ্ণভক্তি অনুশীলনের পন্থা
শ্রীকৃষ্ণের সন্ধানে
নিত্য আনন্দের পথ নির্দেশ
পরলোকে সুগম যাত্রা
যুগাচার্য শ্রীল প্রভুপাদ
প্রেমভক্তি চন্দ্রিকা
পুনরাগমন
মহাজন উপদেশ
বাল্মীকি রামায়ণ
শ্রীউপদেশামৃত
বৈষ্ণব সদাচার
বৈষ্ণব শিক্ষা ও সাধনা
মহাজন উপদেশ
*
ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
জপ-কীর্তন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 2 দশ নামাপরাধ
*
আচার-আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
মৃত্যু সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক (মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র)
*
ভক্ত সম্বন্ধীয় গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 ,
4 ,
5 ,
*
ভক্তিমূলক সেবা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 ,
4 ,
5 ,
*
কর্তব্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
গুরু / শিষ্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 ,
2 ,
3 ,
*
মানবজন্ম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
নির্বিশেষবাদ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
কলিযুগ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
জ্ঞান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোকে
Page => 1 , 2
*
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 ,
6 ,
*
মায়া সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 ,
*
অভক্ত সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
*
আত্মা-পরমাত্মা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
জড় জগৎ ও চিন্ময় জগৎ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
যোগ, তপশ্চর্যা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
বর্ণাশ্রম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
শ্রীমদ্ভাগবতের গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 , 6 ,
7 , 8 ,
9 , 10 ,
11 , 12 ,
*
শ্রীমদ্ভাগবত গীতা থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 , 6
*
চৈতন্য চরিতামৃত থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2
*
পূরাণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
চাণক্য পণ্ডিতের কিছু গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
ব্রহ্মসংহিতা থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
উপনিষদের গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
শিক্ষাষ্টক এর গুরুত্বপূর্ণ শ্লোকগুলো
*
ভক্তিরসামৃত সিন্ধু থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
বিবিধ গ্রন্থের গুরুত্বপূর্ণ কিছু শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 , 6 ,
শ্রী শ্রী দামোদরাষ্টকম্
শ্রীশ্রীগুর্বষ্টকম্
দশাবতার স্তোত্র
এছাড়াও দেখুন
*
শ্রীভগবানের মুখে যুদ্ধের কথা কেন?
*
ধর্ম্ম কি বিজ্ঞান ছাড়া ? ভোগবাদীদের কতিপয় যুক্তি!
*
সত্ত্ব, রজো ও তমোগুণে প্রভাবিত মানুষের লক্ষণঃ
*
আমাদের বিশেষ বিশেষ ধরণের স্বভাব, আচরণ কেন?
*
প্রণাম মন্ত্র
For Ad Contact
0183 45 45 989
শ্রী শ্রী দামোদরাষ্টকম্
শ্রীশ্রীগুর্বষ্টকম , গুরুদেবের বন্দনা
শ্রীল প্রভুপাদ এর অবদান-
জপ-কীর্তন কেন করবেন ?
*
সত্যিই কি ঈশ্বর আছেন?
*
বিজ্ঞানী নিউটন কর্তৃক ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণঃ
*
অযৌক্তিক বিগ ব্যাং থিওরি !
*
সমগ্র সৃষ্টির ব্যাপারে বৈদিক সিদ্ধান্ত কি?
*
সমগ্র সৃষ্টির রহস্য ও উৎস কি?  
*
" জয় শ্রীকৃষ্ণ "