শ্রীমদ্ভগবদ গীতা'র নিম্নোক্ত শ্লোকের তাৎপর্য সম্পর্কে আপনার মতামত জানান।

শ্রীল প্রভুপাদ প্রণীত শ্রীমদ্ভগবদ গীতা'র প্রতিটি শ্লোকের অনুবাদ, গীতার গান ও তাৎপর্য-

তাৎপর্যটি মোবাইলে ভালোভাবে দেখতে আপনার মোবাইলটি রোটেট করুন (ঘুরান)।
  • শ্রীমদ্ভগবদগীতা ১১শ অধ্যায়: বিশ্বরূপদর্শনযোগ

    শ্লোক: 26:
    অমী চ ত্বাং ধৃতরাষ্ট্রস্য পুত্রাঃ
    সর্বে সহৈবাবনিপালসঙ্ঘৈঃ ।
    ভীষ্মো দ্রোণঃ সূতপুত্রস্তথাসৌ
    সহাস্মদীয়ৈরপি যোধমুখ্যৈঃ ॥২৬॥

    অমী, চ, ত্বাম্, ধৃতরাষ্ট্রস্য, পুত্রাঃ,
    সর্বে, সহ, এব, অবনিপাল-সঙ্ঘৈঃ,
    ভীষ্মঃ, দ্রোণঃ, সূতপুত্রঃ, তথা, অসৌ,
    সহ, অস্মদীয়ৈঃ, অপি, যোধমুখ্যৈঃ ॥২৬॥

  • শ্লোক: 27:
    বক্ত্রাণি তে ত্বরমাণা বিশন্তি
    দংষ্ট্রাকরালানি ভয়ানকানি ।
    কেচিদ্ বিলগ্না দশনান্তরেষু
    সংদৃশ্যন্তে চুর্ণিতৈরুত্তমাঙ্গৈঃ ॥২৭॥

    বক্ত্রাণি, তে, ত্বরমাণাঃ, বিশন্তি,
    দংষ্ট্রা-করালানি, ভয়ানকানি,
    কেচিৎ, বিলগ্নাঃ, দশন-অন্তরেষু,
    সংদৃশ্যন্তে, চুর্ণিতৈঃ, উত্তম-অঙ্গৈঃ ॥২৭॥

  • শ্লোক: 28:
    যথা নদীনাং বহবোহম্বুবেগাঃ
    সমুদ্রমেবাভিমুখা দ্রবন্তি ।
    তথা তবামী নরলোকবীরা
    বিশন্তি বক্ত্রাণ্যভিবিজ্বলন্তি ॥২৮॥

    যথা, নদীনাম্, বহবঃ, অম্বুবেগাঃ,
    সমুদ্রম্, এব, অভিমুখাঃ, দ্রবন্তি,
    তথা, তব, অমী, নরলোক-বীরাঃ,
    বিশন্তি, বক্ত্রাণি, অভিবিজ্বলন্তি ॥২৮॥

  • শ্লোক: 29:
    যথা প্রদীপ্তং জ্বলনং পতঙ্গা
    বিশন্তি নাশায় সমৃদ্ধবেগাঃ ।
    তথৈব নাশায় বিশন্তি লোকা-
    স্তবাপি বক্ত্রাণি সমৃদ্ধবেগাঃ ॥২৯॥

    যথা, প্রদীপ্তম্, জ্বলনম্, পতঙ্গাঃ,
    বিশন্তি, নাশায়, সমৃদ্ধবেগাঃ,
    তথা, এব, নাশায়, বিশন্তি, লোকাঃ,
    তব, অপি, বক্ত্রাণি, সমৃদ্ধবেগাঃ ॥২৯॥

  • শ্লোক: 30:
    লেলিহ্যসে গ্রসমানঃ সমন্তা-
    ল্লোকান্ সমগ্রান্ বদনৈর্জ্বলদ্ভিঃ ।
    তেজোভিরাপূর্য জগৎ সমগ্রং
    ভাসস্তবোগ্রাঃ প্রতপন্তি বিষ্ণো ॥৩০॥

    লেলিহ্যসে, গ্রসমানঃ, সমন্তাৎ,
    লোকান্, সমগ্রান্, বদনৈঃ, জ্বলদ্ভিঃ,
    তেজোভিঃ, আপূর্য, জগৎ, সমগ্রম্,
    ভাসঃ, তব, উগ্রাঃ, প্রতপন্তি, বিষ্ণো ॥৩০॥
  • অনুবাদ : ধৃতরাষ্ট্রের পুত্রেরা, তাদের মিত্র সমস্ত রাজন্যবর্গ এবং ভীষ্ম, দ্রোণ, কর্ণ এবং আমাদের পক্ষের সমস্ত সৈন্যেরা তোমার করাল দন্তবিশিষ্ট মুখের মধ্যে দ্রুতবেগে প্রবেশ করছে এবং সেই দন্তমধ্যে বিলগ্ন হয়ে তাদের মস্তক চূর্ণিত হচ্ছে। নদীসমূহ যেমন সমুদ্রাভিমুখে প্রবাহিত হয়ে সমুদ্রে প্রবেশ করে, তেমনই নরলোকের বীরগণ তোমার জ্বলন্ত মুখবিবরে প্রবেশ করছে। পতঙ্গগণ যেমন দ্রুত গতিতে ধাবিত হয়ে মরণের জন্য জ্বলন্ত অগ্নিতে প্রবেশ করে, তেমনই এই লোকেরাও মৃত্যুর জন্য অতি বেগে তোমার মুখবিবরে প্রবেশ করছে। হে বিষ্ণু ! তুমি তোমার জ্বলন্ত মুখসমূহের দ্বারা সকল লোককে গ্রাস করছ এবং তোমার তেজোরাশির দ্বারা সমগ্র জগৎকে আবৃত করে সন্তপ্ত করছ।
  • তাৎপর্যঃ- গীতা তাৎপর্য/অধ্যায়ঃ১১-শ্লোক-২৬-৩০

    পূরবর্তী শ্লোক দেখুন অথবা পরবর্তী শ্লোক
  • এই উদ্যোগটি আপনার ভাল লাগলে প্রচার কার্যে সহযোগিতা করবেন এটুকু প্রার্থনা রইল ।

    Comments


    Add_6

    * * * Anupamasite-এ আপনাকে স্বাগতম। আপনার পছন্দমত যে কোন ধরনের লেখা পোস্ট করতে এখানে ক্লিক করুন।   আপনাদের পোস্ট করা লেখাগুলো এই লিংকে আছে, দেখতে এখানে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ * * *

    জ্ঞানই শক্তি ! তাই- আগে নিজে জানুন , শেয়ার করে প্রচারের মাধ্যমে অন্যকেও জানতে সাহায্য করুন।