সনাতন ধর্মের সুনির্বাচিত বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কিছু গ্রন্থ ।
আপনার মোবাইলে ভালোভাবে দেখার জন্য মোবাইলটি রোটেন করুন ( ঘুরান) ।
প্রকৃতির নিয়ম
কর্মের অবশ্যম্ভাবী ফল
কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ কর্তৃক রচিত ইংরেজী The Laws of Nature : An Infallible Justice গ্রন্থের বঙ্গানুবাদ
ভূমিকা ,
১ম অধ্যায়, ভগবান এবং কর্মনীতি =>
কর্মবন্ধন ছিন্ন করার পন্থা ,
ভগবান শ্রীকৃষ্ণই সব কিছুর নিয়ন্তা এবং প্রভু ,
ভগবান এবং তাঁর শক্তিরাশি ,
ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মর্যাদা ,
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ —আপাতদৃষ্টিতে পরস্পর বিরোধী তত্ত্ব ,
ভগবান এবং তাঁর শক্তি — এক এবং ভিন্নও ,
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পরম শুদ্ধ ,
শরীরের পরিসীমার ওপরে ,
পারমার্থিক এবং জড়জাগতিক শিক্ষা ,
জ্ঞান বনাম অজ্ঞানতা ,
শ্রীভগবানকে জানার পন্থা ,
ব্রহ্মজ্যোতির ঊর্ধ্বে । ,
দ্বিতীয় অধ্যায় , খারাপ কর্ম ,
তৃতীয় অধ্যায় , শান্তির সূত্র ,
দ্বিতীয় অধ্যায়
খারাপ কর্ম
শ্লোক ১৯ : মৃত্যুর সময় , সক্রোধনেত্র ভয়ঙ্কর যমদূতদের সে তার কাছে । আসতে দেখে , এবং তখন মহাভয়ে সে মল - মূত্র ত্যাগ করতে থাকে ।
তাৎপর্য : বর্তমান শরীর ত্যাগ করার পর , জীবের দুই প্রকার দেহান্তর হয় । এক প্রকার দেহান্তর হচ্ছে পাপকর্মের নিয়ন্ত্রণকারী যমরাজের কাছে যাওয়া , এবং অন্যটি হচ্ছে বৈকুণ্ঠলোক পর্যন্ত উচ্চতর লোকে যাওয়া । এখানে ভগবান কপিলদেব বর্ণনা করেছেন , ইন্দ্রিয় সুখভোগ পরায়ণ যে - সমস্ত মানুষ পরিবার প্রতিপালনের কাজে ব্যস্ত থাকে , তাদের সঙ্গে যমদূতেরা কিভাবে আচরণ করে । যে সমস্ত মানুষ প্রবলভাবে ইন্দ্রিয় তৃপ্তি সাধন করেছে , মৃত্যুর সময় যমদূতেরা তাদের তত্ত্বাবধায়ক হয় । তারা মৃত ব্যক্তিকে যমালয়ে নিয়ে যায় । সেখানকার অবস্থা পরবর্তী শ্লোকগুলিতে বর্ণনা করা হয়েছে ।
শ্লোক ২০ : রাজ্যের পাহারাদারেরা যেমন অপরাধীকে দণ্ড দেওয়ার জন্য গ্রেপ্তার করে , তেমনই যে - ব্যক্তি অপরাধজনক ইন্দ্রিয় - তৃপ্তির কার্যে যুক্ত ছিল , তাকে যমদূতেরা একটি শক্ত দড়ি দিয়ে তার গলায় বাঁধে এবং তার সূক্ষ্ম দেহকে আবৃত করে , যাতে তাকে অত্যন্ত কঠোর দণ্ড দেওয়া যায় ।
তাৎপর্য : প্রতিটি জীবই সূক্ষ্ম এবং স্থূল শরীরের দ্বারা আচ্ছাদিত । সূক্ষ্ম দেহটি হচ্ছে মন , বুদ্ধি , অহঙ্কার এবং চিত্তের আবরণ । শাস্ত্রে বলা হয়েছে যে , যমদূতেরা অপরাধীর সূক্ষ্ম দেহ আচ্ছাদিত করে যমালয়ে নিয়ে যায় , যেখানে তাকে এমনভাবে দণ্ড দেওয়া হয় , যা সে সহ্য করতে পারে । সেই দণ্ডভোগের ফলে তার মৃত্যু হয় না , কারণ যদি সে মরে যায় , তা হলে সেই দণ্ড কে ভোগ করবে ? কাউকে হত্যা করা যমদূতদের কার্য নয় । প্রকৃত পক্ষে , জীবকে করা কখনই সম্ভব নয় , কারণ বাস্তবে সে হচ্ছে নিত্য । তাকে কেবল তার ইন্দ্রিয় সুখভোগের কর্মের ফল ভোগ করতে হয় । চৈতন্য - চরিতামৃতে দণ্ডদানের বিধি বর্ণিত হয়েছে । পুরাকালে রাজার প্রহরীরা কয়েদিকে একটি নৌকায় করে মাঝনদীতে নিয়ে যেত , এবং সেখানে তার চুলের মুঠি ধরে সম্পূর্ণরূপে জলের নীচে তাকে ডোবানো হত , এবং যখন তার দম প্রায় বন্ধ হয়ে যেত , তখন রাজার প্রহরীরা তাকে জল থেকে তুলে অল্প ক্ষণের জন্য কেবল শ্বাস নিতে দিত এবং তার পর আবার তাকে জলে ডোবানো হত । ভগবৎ বিস্মৃত জীবেদের যমরাজ এইভাবে দণ্ড দেন , যা পরবর্তী শ্লোকগুলিতে বর্ণিত হবে ।
শ্লোক ২১ : এইভাবে যমদূতেরা যখন তাকে নিয়ে যায় , তখন তার হৃদয় বিদীর্ণ হয় এবং তার সর্ব শরীর কাঁপতে থাকে । পথিমধ্যে কুকুরেরা তাকে কামড়াতে থাকে এবং তখন সে তার সমস্ত পাপকর্মের কথা স্মরণ করে । এইভাবে সে অত্যন্ত ব্যথিত হয় ।
তাৎপর্য : এই শ্লোক থেকে মনে হয় যে , এই লোক থেকে যমলোকে যাওয়ার সময় , যমদূতদের দ্বারা বন্দি অপরাধীর সঙ্গে অনেক কুকুরের সাক্ষাৎ হয় এবং তারা তাকে তার ইন্দ্রিয় তৃপ্তির অপরাধজনক কার্যকলাপের কথা মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য গর্জন করে এবং তাকে কামড়ায় । ভগবদ্গীতায় বলা হয়েছে যে , যখন কেউ ইন্দ্রিয় - তৃপ্তির বাসনায় উন্মত্ত হয়ে ওঠে , তখন সে অন্ধ হয়ে যায় । এবং তার সমস্ত জ্ঞান হারিয়ে ফেলে । সে সব কিছু ভুলে যায় । কামৈস্তৈস্তৈ হার্তজ্ঞানাঃ । কেউ যখন ইন্দ্রিয় তৃপ্তির প্রতি অত্যন্ত আকৃষ্ট হয় , তখন সে তার সমস্ত বুদ্ধি হারিয়ে ফেলে , এবং সে ভুলে যায় যে , তার পরিণাম তাকে ভোগ করতে হবে । এখানে যমরাজের কুকুরদের দ্বারা সে তার ইন্দ্রিয় - তৃপ্তির কার্যকলাপের কথা মনে করার সুযোগ পায় । আমাদের স্কুল দেহে জীবিত থাকার সময় , আধুনিক সরকারও ইন্দ্রিয় - তৃপ্তির এই সমস্ত কার্যকলাপে অনুপ্রাণিত করে । সারা পৃথিবীর প্রতিটি রাষ্ট্রে , জনগণ জন্ম - নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদির দ্বারা এই ধরনের কার্যকলাপে সরকার কর্তৃক অনুপ্রাণিত হচ্ছে । মেয়েদের জন্ম - নিয়ন্ত্রণের পিল সরবরাহ করা হচ্ছে , এবং তাদের হাসপাতালে ও ডাক্তারখানায় গর্ভপাত করতে অনুপ্রাণিত করা হচ্ছে । ইঞ্জিয় - তৃপ্তির ফলে এই সমস্ত হচ্ছে । প্রকৃত পক্ষে , যৌন জীবনের উদ্দেশ্য হচ্ছে সুসন্তান উৎপাদন করা , কিন্তু মানুষের যেহেতু তাদের ইন্দ্রিয়ের উপর কোন সংযম নেই এবং ইন্দ্রিয় সংযমের শিক্ষা দেওয়ার কোন প্রতিষ্ঠান নেই , তাই সেই সমস্ত দুর্ভাগা ব্যক্তিরা ইঞ্জিয় - তৃপ্তির অপরাধের শিকার হয় , এবং মৃত্যুর পর তাদের দণ্ডভোগ করতে হয় , যার বর্ণনা শ্রীমদ্ভাগবতের এই শ্লোকগুলিতে করা হয়েছে ।
শ্লোক ২২-২৪ : অপরাধীকে তীব্র সূর্য - কিরণে , তপ্ত বালুকার রাস্তা দিয়ে হেঁটে যেতে হয় , যার দুপাশে দাবানল জ্বলে । সে যখন হাঁটতে অসমর্থ হয় , তখন যমদূতেরা তার পিঠে চাবুক দিয়ে আঘাত করে , এবং সে ক্ষুধা এবং তৃষ্ণায় পীড়িত হলেও দুর্ভাগ্যবশত সেখানে কোন জল নেই , আশ্রয় নেই এবং বিশ্রামের কোন স্থান নেই । যমালয়ের পথে যেতে যেতে সে পরিশ্রান্ত হয়ে পড়ে যায় , এবং কখনও কখনও সে অচেতন হয়ে পড়ে , কিন্তু তাকে জোর করে উঠতে বাধ্য করা হয় । এইভাবে শীঘ্রই তাকে যমরাজের সামনে নিয়ে আসা হয় ।
“ এইভাবে দুই - তিন মুহূর্তের মধ্যে তাকে নিরানব্বই হাজার যোজন পথ অতিক্রম করতে হয় , এবং তার পর তাকে তৎক্ষণাৎ ঘোর যন্ত্রণাদায়ক দণ্ড দান করা হয় , যা ভোগ করতে সে বাধ্য হয় । "
তাৎপর্য : এক যোজন হচ্ছে আট মাইল , অতএব তাকে ৭,৯২,০০০ মাইল দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে হয় । এই দীর্ঘ দূরত্ব কেবল কয়েক মুহূর্তের মধ্যে অতিক্রম করতে হয় । যমদূতেরা সূক্ষ্ম শরীরকে আচ্ছাদিত করে , যাতে জীব এই দীর্ঘ পথ শীঘ্রই অতিক্রম করতে পারে এবং সেই সঙ্গে সমস্ত যন্ত্রণাও সহ্য করতে পারে । সেই আবরণটি যদিও জড় , তা এত সূক্ষ্ম উপাদান দিয়ে তৈরি , যা জড় বৈজ্ঞানিকেরা বুঝতে পারে না , এই আবরণটি কি বস্তু । কয়েক মুহূর্তের মধ্যে ৭,৯২,০০০ মাইল পথ অতিক্রম করা আধুনিক অন্তরীক্ষ যাত্রীদের কাছে আশ্চর্যজনক বলে মনে হতে পারে । তারা এখন পর্যন্ত কেবল ঘণ্টায় ১৮,০০০ মাইল গতিতে ভ্রমণ করতে সক্ষম হয়েছে , কিন্তু এখানে আমরা দেখতে পাই যে , যমদূতেরা যখন পাপীদের যমালয়ে নিয়ে যায় , তখন তারা কেবল কয়েক সেকেণ্ডের মধ্যে ৭,৯২,০০০ মাইল পথ অতিক্রম করে , যদিও এই পন্থাটি চিন্ময় নয় , জড় ।
শ্লোক ২৫ : তাকে জ্বলন্ত অঙ্গারের মধ্যে রেখে , তার অঙ্গ - প্রত্যঙ্গ দগ্ধ করা হয় , কখনও কখনও তার নিজের মাংস তাকে খেতে বাধ্য করা হয় অথবা অন্যেরা তার মাংস খায় ।
তাৎপর্য : এই শ্লোকটি থেকে পরবর্তী তিনটি শ্লোকে যমালয়ে দণ্ডের বর্ণনা করা হবে । প্রথম বর্ণনাটি হচ্ছে , অপরাধীকে আগুনে দগ্ধ হয়ে , নিজের মাসে খেতে হয় অথবা সেখানে তার মতো যারা উপস্থিত , তারা তার মাংস খায় । গত মহাযুদ্ধের সময় , কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে কখনও কখনও নিজেদের বিধা মানুষকে খেতে হয়েছিল , সুতরাং যারা অন্যের মাংস খেয়ে অত্যন্ত আনন্দদায়ক জীবন যাপন করেছিল , যমালয়ে তাদের যে নিজেদের মাংস খেতে হয় , তাতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই ।
শ্লোক ২৬-২৮ : নরকের কুকুর এবং শকুনিরা তার নাড়ি সকল টেনে বার করে , এবং তা সত্ত্বেও সে জীবিত থাকে এবং তা দেখে । সৰ্প , বৃশ্চিক , দংশক ইত্যাদি প্রাণী তাকে দংশন করে এবং তার ফলে সে অত্যন্ত বেদনা অনুভব করে । তার পর তার অঙ্গ - প্রত্যঙ্গগুলি খণ্ড খণ্ড করে কাটা হয় এবং হস্তীর দ্বারা বিদীর্ণ করা হয় । তাকে পর্বতশৃঙ্গ থেকে ছুঁড়ে ফেলা হয় , এবং জলে অথবা গুহায় তাকে অবরুদ্ধ করা হয় । 69 “ পুরুষ এবং স্ত্রী , যাদের জীবন অবৈধ যৌন আচরণের মাধ্যমে অতিবাহিত হয়েছিল , তাদের তামিশ্র , অন্ধতামিশ্র এবং রৌরব নামক নরকে নানা প্রকার যন্ত্রণা ভোগ করতে হয় । ”
তাৎপর্য : জড় - জাগতিক জীবন যৌন জীবনের উপর প্রতিষ্ঠিত । জীবন সংগ্রামে নানা প্রকার যন্ত্রণা ভোগ করছে যে - সমস্ত জড়বাদী ব্যক্তি , তাদের অস্তিত্ব যৌন সুখভোগের উপর প্রতিষ্ঠিত । তাই , বৈদিক সভ্যতায় কেবল সীমিত যৌন জীবনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে ; তা কেবল বিবাহিত দম্পতির সন্তান উৎপাদনের জন্য । কিন্তু যখন ইন্দ্রিয় সুখভোগের জন্য অন্যায়ভাবে এবং অবৈধভাবে যৌন সংযোগ হয় , তখন পুরুষ এবং স্ত্রী উভয়কেই এই জগতে অথবা মৃত্যুর পর কঠোর দণ্ডভোগের জন্য প্রতীক্ষা করতে হয় । এই পৃথিবীতেও সিফিলিস , গনোরিয়া আদি তীব্র যন্ত্রণাদায়ক রোগে তাদের শাস্তিভোগ করতে হয় , এবং পরবর্তী জীবনে , যন্ত্রণা ভোগের জন্য তাদের নানাবিধ নরকে নিক্ষেপ করা হয় , যার বর্ণনা শ্রীমদ্ভাগবতের এই অধ্যায়ে করা হয়েছে । ভগবদগীতার প্রথম অধ্যায়েও অবৈধ যৌন জীবনের তীব্রভাবে নিন্দা করা হয়েছে । সেখানে বলা হয়েছে , যারা অবৈধ যৌন জীবনের মাধ্যমে সন্তান উৎপাদন করে , তাদের নরকে নিক্ষেপ করা হয় । শ্রীমদ্ভাগবতের এখানেও প্রতিপন্ন হয়েছে যে , সেই সমস্ত অপরাধীদের তামিশ্র , অন্ধতামিস্র এবং রৌরব নরকে নিক্ষেপ করা হয় ।
সুনির্বাচিত গ্রন্থের তালিকা
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত
(আদি মধ্য ও অন্ত্য)
শ্রীশ্রীচৈতন্যভাগবত
ভক্তিরসামৃত সিন্ধু
শ্রীকৃষ্ণকর্ণামৃতম্
শ্রীশিক্ষাষ্টক
শ্রীভক্তিকল্পবৃক্ষ
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত আদিলীলা
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত মধ্যলীলা- ১ম খন্ড
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত মধ্যলীলা- ২য় খন্ড
শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত অন্ত্যলীলা
শ্রীমদ্ভাগবত ১ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ২য় স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৩য় স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৩য় স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৪র্থ স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৪র্থ স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ৫ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৬ষ্ঠ স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৭ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৮ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ৯ম স্কন্ধ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ৩য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১০ম স্কন্ধ - ৪র্থ ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১১শ স্কন্ধ - ১ম ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১১শ স্কন্ধ - ২য় ভাগ
শ্রীমদ্ভাগবত ১২শ স্কন্ধ
অপ্রাকৃত কৃষ্ণপ্রসাদ
কুন্তীদেবীর শিক্ষা !
শ্রীমদ্ভাগবত
প্রকৃতির নিয়ম
কর্মের অবশ্যম্ভাবী ফল
পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ
ভক্তবৎসল শ্রীনৃসিংহদেব
জাগ্রত চেতনা
ভক্ত প্রশিক্ষণ
ভক্তিগীতি - সঞ্চয়ন
একাদশী মাহাত্ম্য
গৌর-কৃষ্ণ-জগন্নাথ
গৃহে বসে কৃষ্ণ ভজন
শ্রীহরিনামামৃত
শ্রীঈশোপনিষদ
জগতে আমরা কোথায় ?
জীবন আসে জীবন থেকে
কীর্তন করুন এবং সুখী হোন
কৃষ্ণভাবনাময় জীবনের প্রস্তুতি
কৃষ্ণভক্তি অনুশীলনের পন্থা
শ্রীকৃষ্ণের সন্ধানে
নিত্য আনন্দের পথ নির্দেশ
পরলোকে সুগম যাত্রা
যুগাচার্য শ্রীল প্রভুপাদ
প্রেমভক্তি চন্দ্রিকা
পুনরাগমন
মহাজন উপদেশ
বাল্মীকি রামায়ণ
শ্রীউপদেশামৃত
বৈষ্ণব সদাচার
বৈষ্ণব শিক্ষা ও সাধনা
মহাজন উপদেশ
সুনির্বাচিত শ্লোকঃ-
*
ভগবান শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
জপ-কীর্তন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 2 দশ নামাপরাধ
*
আচার-আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
মৃত্যু সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক (মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র)
*
ভক্ত সম্বন্ধীয় গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 ,
4 ,
5 ,
*
ভক্তিমূলক সেবা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 ,
4 ,
5 ,
*
কর্তব্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
গুরু / শিষ্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 ,
2 ,
3 ,
*
মানবজন্ম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
নির্বিশেষবাদ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
কলিযুগ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
জ্ঞান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোকে
Page => 1 , 2
*
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 ,
6 ,
*
মায়া সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 ,
*
অভক্ত সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
*
আত্মা-পরমাত্মা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
জড় জগৎ ও চিন্ময় জগৎ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
যোগ, তপশ্চর্যা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
বর্ণাশ্রম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
শ্রীমদ্ভাগবতের গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 , 6 ,
7 , 8 ,
9 , 10 ,
11 , 12 ,
*
শ্রীমদ্ভাগবত গীতা থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 , 6
*
চৈতন্য চরিতামৃত থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
Page => 1 , 2
*
পূরাণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
চাণক্য পণ্ডিতের কিছু গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
ব্রহ্মসংহিতা থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
উপনিষদের গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
শিক্ষাষ্টক এর গুরুত্বপূর্ণ শ্লোকগুলো
*
ভক্তিরসামৃত সিন্ধু থেকে গুরুত্বপূর্ণ শ্লোক
*
বিবিধ গ্রন্থের গুরুত্বপূর্ণ কিছু শ্লোক
Page => 1 , 2 ,
3 , 4 ,
5 , 6 ,
দশাবতার স্তোত্র
এছাড়াও দেখুন
*
শ্রীভগবানের মুখে যুদ্ধের কথা কেন?
*
ধর্ম্ম কি বিজ্ঞান ছাড়া ? ভোগবাদীদের কতিপয় যুক্তি!
*
সত্ত্ব, রজো ও তমোগুণে প্রভাবিত মানুষের লক্ষণঃ
*
আমাদের বিশেষ বিশেষ ধরণের স্বভাব, আচরণ কেন?
*
প্রণাম মন্ত্র
For Ad Contact
শ্রী শ্রী দামোদরাষ্টকম্
শ্রীশ্রীগুর্বষ্টকম , গুরুদেবের বন্দনা
শ্রীল প্রভুপাদ এর অবদান-
জপ-কীর্তন কেন করবেন ?
*
সত্যিই কি ঈশ্বর আছেন?
*
বিজ্ঞানী নিউটন কর্তৃক ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণঃ
*
অযৌক্তিক বিগ ব্যাং থিওরি !
*
সমগ্র সৃষ্টির ব্যাপারে বৈদিক সিদ্ধান্ত কি?
*
সমগ্র সৃষ্টির রহস্য ও উৎস কি?  
*
" জয় শ্রীকৃষ্ণ "