সনাতন ধর্মের সুনির্বাচিত বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কিছু গ্রন্থ ।

আপনার মোবাইলে ভালোভাবে দেখার জন্য মোবাইলটি রোটেন করুন ( ঘুরান) ।

  • প্রকৃতির নিয়ম

    কর্মের অবশ্যম্ভাবী ফল

    কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ কর্তৃক রচিত ইংরেজী The Laws of Nature : An Infallible Justice গ্রন্থের বঙ্গানুবাদ
  • ভূমিকা ,    ১ম অধ্যায়, ভগবান এবং কর্মনীতি => কর্মবন্ধন ছিন্ন করার পন্থা ,   ভগবান শ্রীকৃষ্ণই সব কিছুর নিয়ন্তা এবং প্রভু ,    ভগবান এবং তাঁর শক্তিরাশি ,   ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মর্যাদা ,    ভগবান শ্রীকৃষ্ণ —আপাতদৃষ্টিতে পরস্পর বিরোধী তত্ত্ব ,   ভগবান এবং তাঁর শক্তি — এক এবং ভিন্নও ,    ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পরম শুদ্ধ ,   শরীরের পরিসীমার ওপরে ,    পারমার্থিক এবং জড়জাগতিক শিক্ষা ,   জ্ঞান বনাম অজ্ঞানতা ,    শ্রীভগবানকে জানার পন্থা ,   ব্রহ্মজ্যোতির ঊর্ধ্বে । ,   দ্বিতীয় অধ্যায় , খারাপ কর্ম ,   তৃতীয় অধ্যায় , শান্তির সূত্র ,  
  • প্রথম অধ্যায়

    ভগবান এবং কর্মনীতি

    প্রাচীন সংস্কৃত গ্রন্থ হল বেদ । ১০৮ টি উপনিষদেই এর দার্শনিক সারমর্মকে বিশদভাবে বর্ণনা করা হয়েছে । সকল উপনিষদের মধ্যে শ্রীঈশোপনিষদই হল । সর্বোত্তম । নিম্নলিখিত নিবন্ধটির মাধ্যমে , ১৯৬৮ সালে শ্রীঈশোপনিষদ বিষয়ে প্রদত্ত শ্রীল প্রভুপাদের প্রবচনের ভিত্তিতে আমরা পরমেশ্বর ভগবান সম্বন্ধে প্রকৃত তত্ত্ব , তাঁর জাগতিক ও পারমার্থিক শক্তিরাজির নিয়ন্ত্রণকারী বিধিগুলো এবং কিভাবে কর্মের বন্ধন থেকে মুক্তিলাভ করা যায় , সে বিষয়ে শিক্ষালাভ করতে পারব ।

          ঈশোপনিষদে বলা হয়েছে যে , পরম পুরুষোত্তম ভগবান হলেন “ পূর্ণাৎ পূর্ণম " । এই জড় জগতের জন্য তিনি অনেক কিছুর আয়োজন করে রেখেছেন । তারই অংশ হল সৃষ্টি , স্থিতি ও প্রলয় প্রক্রিয়া । সেইসাথে প্রতিটি জীবের পরিবর্তনের জন্য রয়েছে ছ'টি সুনির্দিষ্ট ধারা । সেগুলি হল – জন্ম , বিকাশ , স্থিতি , উৎপাদন , ক্ষয় এবং বিনাশ । উপরিউক্ত ছয়'টি ধারার মধ্য দিয়েই জীব জন্ম থেকে বিনাশের দিকে এগিয়ে চলে । আর এটিই জড়া প্রকৃতির নিয়ম । যেমন একটি ফুল কুঁড়ি রূপেই জন্মায় । তারপর সেটি বিকশিত হয় , দুই - তিন দিন সতেজ থাকে , বীজ উৎপাদন করে , ক্রমে সেটি শুকিয়ে আসে ও একসময় ঝরে পড়ে । জড় জাগতিক বিজ্ঞান দিয়েও কেউ একে রোধ করতে পারে না । আর এরূপ রোধের চেষ্টা যদি কেউ করে , তবে তা হবে নিতান্তই অজ্ঞতার প্রকাশ ।

          কখনও কখনও অনেকে বোকার মতন মনে করে যে , বৈজ্ঞানিক উন্নতি বিকাশের মাধ্যমে মানুষ বুঝি অমর হয়ে যাবে । এই রকম ভাবনা শুধু বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয় । কারণ জড়া প্রকৃতির বিধানকে কেউ - ই আটকাতে পারে না । তাই ভগবদ্গীতায় ( ৭/১৪ ) ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন যে , জড় - জাগতিক শক্তি দুরত্যয়া , অর্থাৎ কোনরকম জড় জাগতিক পদ্ধতির মাধ্যমে একে কখনই জয় করা যায় না ।

          জড়া প্রকৃতির তিনটি গুণ রয়েছে । অর্থাৎ এটি তিন রকম গুণের সমন্বয়ে গঠিত । এইগুলি হল : সবগুণ , রজোগুণ এবং তমোগুণ । যার অর্থ হল যথাক্রমে শুদ্ধ সাত্ত্বিক ভাব , উগ্র রাজসিক ভাব এবং নিম্নমুখী অজ্ঞ তামসিক ভাব । এই গুণ শব্দের আরেকটি অর্থ হল ' দড়ি ' । সুতোর তিনটি পাকের মাধ্যমে দড়ি তৈরি হয় । সেক্ষেত্রে সুতোকে প্রথমে ছোট ছোট তিনটি কাঠিমে জড়ানো হয় । তারপর সেগুলোকে একসাথে পাকানো হয় । এই প্রক্রিয়ায় তৈরি দড়িটি খুবই মজবুত হয় । সেরকমই জড়া প্রকৃতির তিনটি গুণ সত্ত্ব , তমো ও রজো একসাথে মিশে যায় । পরে সেগুলো থেকেই অন্যান্য গুণের উদ্ভব হয় । আবার সেই গুণগুলিও বারংবার পরস্পরের সাথে মিশে নতুন গুণ তৈরি করে । আর এইভাবে অসংখ্যবার তাদের পরস্পরের মধ্যে সংমিশ্রণ চলতে থাকে ।

          আর এইভাবেই জাগতিক শক্তি আপনাকে ক্রমাগত জড়িয়ে ফেলতে থাকে । নিজের চেষ্টায় আপনি এই বন্ধন থেকে মুক্ত হতে পারবেন না । একে প - বর্গ বলা হয় । সংস্কৃত বর্ণমালার পঞ্চম সারির বর্ণ হল প - বর্গ । এতে রয়েছে প , ফ , ব , ড . ম । ' প ' দ্বারা বোঝানো হয় ‘ পরিশ্রম ' , অর্থাৎ অত্যধিক কষ্টসাধন । প্রতিটি জীবই এই জগতে বেঁচে থাকার জন্য কঠোর পরিশ্রম করে চলছে । যাকে বলা হয় অস্তিত্বের জন্য কঠোর জীবন সংগ্রাম । ' ফ ' দ্বারা বোঝানো হয় ফেনা । ঘোড়া যখন অত্যধিক পরিশ্রম করে তখন তার মুখ দিয়ে ফেনা বেরোয় । সেরকমই , অত্যধিক পরিশ্রমের ফলে ক্লান্ত হয়ে পড়লে আমাদের জিহ্বা শুকিয়ে যায় , মুখের মধ্যে লালা জমে । প্রত্যেকেই ইন্দ্রিয় সুখ ভোগ করার জন্য এইরকম অত্যধিক পরিশ্রম করছে । যার ফলে তাদের মুখে ফেনা উঠে আসে । ' ব ' দ্বারা বোঝানো হয় ' বন্ধন ' । আমাদের যাবতীয় প্রচেষ্টা সত্ত্বেও জড়া প্রকৃতির বন্ধনে আমরা বাঁধা পড়ে আছি । ' ভ ' দ্বারা বোঝানো হয় ' ভয় ' । এই জড় জগতে মানুষ সব সময়ই ভয়ের বস্ত আগুনের মধ্যে বাস করছে । কেউ - ই জানে না যে পরমুহূর্তে কি হতে চলেছে ? এবং " ম ' দ্বারা বোঝানো হয় ' মৃত্যু ' । আমাদের আশা , সুখ ও নিরাপত্তার জন্য যাবতীয় পরিকল্পনা — সবই মৃত্যুর মধ্য দিয়ে শেষ হয়ে যায় ।

          এজন্য , কৃষ্ণভাবনাময় জীবন - দর্শনে এই প - বর্গ পদ্ধতিকে নস্যাৎ করে দেওয়া হয় । অন্যভাবে বলা যায় যে কৃষ্ণভাবনামৃতের মাধ্যমে মানুষ অপবর্গ অর্জন করে । যেখানে অস্তিত্বের জন্য কঠোর পরিশ্রমের ভাবনা থাকে না , এছাড়াও থাকে না কোনও রকম জাগতিক বন্ধন , ভয় বা মৃত্যুর আশঙ্কা । এই জড়জগৎকেই প - বর্গের মাধ্যমে বোঝানো হয় । কিন্তু প - বর্গের পূর্বে ' অ '

          উপসর্গটি যোগ করলে প - বর্গকে নস্যাৎ করে দেওয়া হয় । আর কৃষ্ণভাবনামৃত আন্দোলনই অপবর্গের একমাত্র পথ ।

          কিন্তু দুঃখের বিষয় হল , সাধারণ মানুষ এই বিষয়ে কিছুই জানে না । যার ফলে তারা তাদের জীবনকে নষ্ট করছে । এই আধুনিক সভ্যতা একটি আত্মহননকারী সভ্যতা , যেখানে মানুষ নিজেদেরকে হত্যা করছে । কারণ তারা জানে না যে যথার্থ জীবন ধারা কি হওয়া উচিত ? যেমন পশুরা জানে না যে যথার্থ জীবন কি ? তাই তারা প্রকৃতির নিয়ম অনুযায়ীই সাধারণভাবে জীবন যাপন করে চলে , ক্রমাগত বিবর্তনের মধ্য দিয়ে । মানুষও তেমনি পশুদের মতন সাধারণ জীবন যাপন করে চলছে । কিন্তু যখন আপনি মনুষ্য - দেহ পান তখন ভিন্ন ধারায় জীবন যাপনের দায়িত্ব আপনারও চলে আসে । আর তার ফলেই আপনি কৃষ্ণভাবনাময় হয়ে ওঠার সুযোগ পাবেন । যার মাধ্যমে সমস্ত রকম সমস্যা থেকে সমাধানের পথ খুঁজে পেয়ে আপনি মুক্তি পেতে পারেন । কিন্তু তা না করে যদি আপনি পশুর মতন জীবন যাপন করতে থাকেন , তবে পুনরায় জন্ম - মৃত্যুর আবর্তন চক্রে প্রবেশ করে আপনাকে চুরাশী লক্ষ জীব যোনির মধ্য দিয়ে চলতে হবে । ফলে আরও একবার মনুষ্য - জন্ম ফিরে পেতে আপনার বহু লক্ষ কোটি বছর কেটে যাবে । যেমন ধরুন , এই মুহূর্তে আপনারা যে সূর্যকিরণটি দেখতে পাচ্ছেন , সেটি আবার দেখতে হলে আপনাকে চব্বিশ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে । কারণ প্রকৃতির সবকিছুই একটি নির্দিষ্ট চক্রে আবর্তিত হয়ে চলেছে । কিন্তু আপনি যদি নিজেকে উন্নত করার এই সুযোগ নষ্ট করেন , তবে আবার আপনাকে জন্ম মৃত্যুর আবর্তন চক্রে প্রবেশ করতে হবে । প্রকৃতির বিধান খুব কঠোর । এই জন্যই আমরা এত সব কেন্দ্র স্থাপন করেছি , যাতে করে মানুষ কৃষ্ণভাবনামৃতের সুযোগ - সুবিধাগুলো গ্রহণ করে নিজেদের বিকাশ সাধন করতে পারে ।

          আমরা জানি না , আমাদের মৃত্যুর আর কত দেরী । শরীরের মধ্যে আমাদের অবস্থানের সময় ফুরিয়ে এলে মৃত্যুকে কেউ আটকাতে পারবে না । এইজন্য এক্ষুনিই আমাদের কৃষ্ণভাবনামৃত আস্বাদনের অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত । জড়া প্রকৃতির বিধি - নিয়ম এমনই কঠোর যে সেখানে আপনি বলতে পারবেন না “ আমাকে থাকতে দাও ” । কিন্তু প্রকৃতপক্ষে মানুষ এরকম অনুরোধই করে । আমি যখন এলাহাবাদ ছিলাম , তখন আমার এক পুরানো বন্ধু খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন । তিনি খুব ধনী ছিলেন । তিনি ডাক্তারকে খুব অনুনয় - বিনয় করে বলতেন , “ আমাকে আর চারটি বছর বাঁচিয়ে রাখতে পারবেন না ? তাহলে আমি কতগুলি অসমাপ্ত কাজ শেষ করে ফেলতে পারতাম । " এটাই নির্বুদ্ধিতা । প্রত্যেকেই ভাবে “ আমাকে এটা করতে হবে , ওটা করতে হবে । ” কিন্তু তারা এটা বোঝে না যে , ডাক্তার বা বৈজ্ঞানিক –কেউই মৃত্যুকে আটকাতে পারে । না । চার বছর কেন , চার মিনিটও অতিরিক্ত বাঁচিয়ে রাখতে পারে না , আয়ু ফুরিয়ে এলে আপনাকে তক্ষুণি চলে যেতে হবে । এটাই নিয়ম । তাই সেই মুহূর্তটি । আসার আগেই , আপনাকে প্রস্তুত হতে হবে । যত শীঘ্র সম্ভব কৃষ্ণভাবনামৃত আপাদন করার অভ্যাস গড়ে তুলুন । অর্থাৎ আপনার পরবর্তী মৃত্যুর দিনটি আসার আগেই আপনাকে আপনার কর্তব্য শেষ করতে হবে । এটাই প্রকৃত বুদ্ধিমানের কাজ । নতুবা আপনাকে হার স্বীকার করতে হবে ।

          ঈশোপনিষদে বলা হয়েছে যে , পরম পূর্ণ সত্তা – পরমেশ্বর ভগবান — তাঁর থেকে যা কিছু সৃষ্টি হয়েছে , তা সবই স্বয়ংসম্পূর্ণ । তাই আপনি যদি আপনার এই দুর্লভ মানব জীবনের সদ্ব্যবহার করতে চান , তার পূর্ণ সুযোগ রয়েছে । কিন্তু এজন্য আপনাকে এগিয়ে এসে অনুশীলন করতে হবে । মনে রাখবেন , কৃষ্ণভাবনামৃত কিন্তু নিছক তত্ত্বকথা নয় , এটি বাস্তবসম্মত । এর ওপর সমস্ত রকম পরীক্ষা - নিরীক্ষা ইতিমধ্যেই করা হয়েছে । তাই ঈশোপনিষদে যেমন বলা আছে , সেরকমই প্রতিটি স্বয়ং সম্পূর্ণ ক্ষুদ্র সত্তা – যেমন আমরা প্রত্যেকেরই পরম পূর্ণ সত্তা শ্রীকৃষ্ণ বিষয়ে সম্পূর্ণ উপলব্ধির পূর্ণ সুযোগ রয়েছে । যদিও আমরা সম্পূর্ণ সত্তা , কিন্তু আমরা অতি ক্ষুদ্র । একটি ছোট স্ক্রু যদি মেশিন থেকে আলগা হয়ে খুলে পড়ে , তবে তার আর কোনও গুরুত্ব থাকবে না । ঠিক সেরকমই , ততক্ষণই আমাদের গুরুত্ব যতক্ষণ আমরা ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রাখব । নইলে কিন্তু সবই ব্যর্থ ও মূল্যহীন ।

          পরমপূর্ণ সত্তাটিকে বুঝতে হলে প্রথমে বুঝতে হবে সেই পরমপূর্ণ সত্তার সাথে আমাদের সম্পর্কটি কি ? পরমপূর্ণ সত্তা সম্বন্ধে আমাদের জানা সম্পূর্ণ নয় । তাই তার সম্বন্ধে আমাদের অভিজ্ঞতাও অসম্পূর্ণ । আমরা মনে করি , " আমি ভগবানের সমান । আমিই ভগবান । ' এটাই কিন্তু অসম্পূর্ণ জ্ঞান । কিন্তু যদি আপনি মনে করেন , ' আমি ভগবানের অবিচ্ছেদ্য অংশমাত্র এবং সেইজন্য গুণগত দিক দিয়ে আমি ভগবানের সমকক্ষ ' — তবে সেটিই হবে সম্পূর্ণ জ্ঞান । জীবের পরিপূর্ণ চেতনা জাগরিত করবার সুযোগ হচ্ছে এই মানব - জন্ম । কৃষ্ণভাবনামৃতের আস্বাদনের মধ্য দিয়েই আপনি এই পূর্ণ চেতনার পুনরুদ্ধার করতে পারবেন । আর আপনি যদি এই পূর্ণ সুযোগের সদ্ব্যবহার না করেন , তবে জানবেন , আপনি নিজেকে নিজে শেষ করে ফেলছেন , আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন । যেমন ঈশোপনিষদে বলা হয়েছে , আব্বাকে যে হত্যা করে , সে যেই হোক , তাকে মৃত্যুর পর অজ্ঞতা , অন্ধকার ও অবিশ্বাসের জগতে প্রবেশ করতেই হবে । " আপনি নিশ্চয়ই চাইবেন না নিজের আত্মার হননকারী হতে । এজন্য কৃষ্ণভাবনামৃত অনুশীলনের মাধ্যমে আপনার মানব - জীবনের সদ্ব্যবহার করুন । এটাই হল আপনার একমাত্র কাজ ।

    এর পরবর্তী পৃষ্ঠা

  • * * * Anupamasite-এ আপনাকে স্বাগতম। আপনার পছন্দমত যে কোন ধরনের লেখা পোস্ট করতে এখানে ক্লিক করুন।   আপনাদের পোস্ট করা লেখাগুলো এই লিংকে আছে, দেখতে এখানে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ * * *

    জ্ঞানই শক্তি ! তাই- আগে নিজে জানুন , শেয়ার করে প্রচারের মাধ্যমে অন্যকেও জানতে সাহায্য করুন।