83) মুরগী
মা তার ছেলেকে ১০০ টাকা দিয়ে বললেন, যাও বাবা বাজার থেকে একটা মুরগি নিয়ে এসো!! ছেলে বাজার থেকে মুরগি কিনে আনলে মা মুরগি দেখে বললেন, এতো রোগা পটকা মুরগি! রোগা পটকা মুরগি আমি নিব না! যাও ফেরত দিয়ে এসো!! ছেলে মুরগি ফেরত দিতে গিয়ে দেখে দোকানে লেখা “বিক্রিত মাল ফেরত নেয়া হয় না” এখন সে কি করবে!! বাসায় গেলেতো মা আচ্ছা মত বকা দেবেন! ভাবতে ভাবতে হটাৎ তার মনে হল, তার এক খালাত বোন আছে! সে তাকে খুব আদর করেন, টাকা পয়সাও দেন! তার কাছে গেলে হয়ত একটা ব্যবস্থা হবে নিশ্চই! বোনের বাড়িতে ঢুকতে গিয়ে দেখে ড্রয়িং রুমে খুব অন্তরঙ্গ অবস্থায় একটি ছেলের সাথে তার খালতো বোন বসে আছে!! ছেলে লজ্জা পেয়ে সেখানে না গিয়ে চুপচাপ স্টোর রুমে বসে রইল!! একটু পর গাড়ির হর্ন এর শব্দ! অর্থাৎ খালু এসেছেন! ড্রয়িং রুমের সেই ছেলেটিও তারাহুরা করে সেই স্টোর রুমে ঢুকে তার বরাবর বসল!! অন্ধকার ঘর, কেউ কারো মুখ দেখছে না! শুধু উপস্থিতি টের পাচ্ছে দুজনই! একটু পর ছেলেটি বলল ভাই মুরগি নেবেন? মাত্র ১০০টাকা!! ধুর, আছি বিপদে আর ইনি আসছে মুরগি বিক্রি করতে! না না মুরগি কিনব না! ভাই, আপনি যদি মুরগিটা না নেন তবে আমি চিৎকার দেব! ভাল মুসিবতে ফেলল ছেলেটা! বাধ্য হয়ে মুরগি কিনতে হল ভদ্র লোকের! তার ঠিক ৫মিনিট পর ছেলেটি বলছে.. -ভাই মুরগিটা ফেরত দেন, নইলে আমি চিৎকার দেব! কপাল খারাপ হলে যা হয়, কি আর করা মুরগি ফেরত দিতে হল!! তার কিছুক্ষণ পর ছেলেটি আবার বলল, -ভাই মুরগি নেবেন? মাত্র ১০০ টাকা!! এইভাবে সে মুরগিটি ৫ বার বিক্রি করে মুরগি সহ ৫০০ টাকা নিয়ে বেড়িয়ে গেল! এলিফ্যন্ট রোড ধরে যখন সে আসছিল তখন দেখল শোরুমে একটা সুন্দর জিন্স প্যন্ট ঝোলান আছে! দাম লেখা ৬০০ টাকা! কিন্তু তার কাছে আছে ৫০০ টাকা! অর্থাৎ ১০০ টাকা কম আছে! এখন এই ১০০ টাকা কোথায় পায়!! ভাবতে ভাবতে চলে গেল নিজের বাড়িতে! ঘরে গিয়ে দেখল তার বড় ভাই ড্রয়িং রুমে বসে মনযোগ সহকারে পেপার পড়ছেন, চুপচাপ তার কাছে গিয়ে বল্ল -ভাইয়া মুরগি নেবে? মাত্র ১০০ টাকা!! ভাইয়াঃ হারামজাদা বাটে ফালাইয়া ৫বার বিক্রি করছিস এখন আবার আসছিস? আজ তোর একদিন কি আমার একদিন!!
84) রাজা রানী
একরাতে রাজা আর রানী গল্প করতে করতে কথায় কথায় রানী বলে ফেললেন : "সব স্বামীরাই বউয়ের কথা শোনে। রাজা রানীর কথায় একমত হলেন না। তখন তারা একে অপরের সাথে তর্ক করতে শুরু করে দিল। এক পর্যায় রাজা রানীকে বললেন : "ঠিক আছে কালই প্রমাণ হয়ে যাবে কে কার কথা শোনে।" পরের দিন রাজ্যে ঘোষণা করা হল “সব বিবাহিত প্রজাদের জন্য রাজা এক বিশেষ পুরস্কারের ব্যবস্থা করেছেন”! তখন সব বিবাহিত প্রজার হুড়োহুড়ি দিয়ে রাজপ্রসাদের সামনে হাজির হলো। রাজদরবারের সামনে দুইটা সাইনবোর্ড লাগানো হলো। ১টা যারা বউয়ের কথা শোনে তাদের লাইন, আরেকটা যারা বউয়ের কথা শোনেনা তাদের লাইন। তখন সবাই ঠেলাঠেলি করে যারা বউয়ের কথা শোনে সেই লাইনে গিয়ে দাড়ালো। কিন্তু বল্টু বেচারা যারা বউয়ের কথা শোনে না সেই লাইনে গিয়ে দাড়ালো। রাজা হেরে গিয়েও একদিক থেকে খুশি হলেন, যাক রাজ্যে এক বান্দা তো আছে যে বউয়ের কথা শোনে না। তখন রাজা কৌতুলি হয়ে বল্টুকে জিজ্ঞাসা করলো : "কি ব্যাপার তুমি এই লাইনে এসে দাড়ালে কেনো..? তখন বল্টু বললো : “আমার বউ আমাকে বেশি হুড়োহুড়ির মধ্যে যেতে মানা করেছে।”
85 ) ফাইজলামি করতাছে
এক লোক পাবলিক টয়লেটে বসে ছিল। হঠাত করে পাশের টয়লেট থেকে শব্দ আসলো, “মিয়া ভাই কেমন আছেন?”... লোকটি অবাক হয়ে বলল, “হ্যাঁ আমি ভাল আছি”... আবার শব্দ আসলো, “কি করছেন ভাই?”... সে চিন্তিত হয়ে উত্তর দিল, “এইতো ভাই কমোড-এ বসে আছি”..। পাশের টয়লেট থেকে আবার বলল, “আমি কি আসতে পারি?”... লোকটি ঘাবড়ে গেল এবং বলল, “না না না প্লিজ, আমি ব্যস্ত আছি”.. আবার কণ্ঠ শোনা গেল, “আচ্ছা ভাই আমি আপনাকে ৫ মিনিট পর আবার ফোন দিচ্ছি, কোন গাধার-বাচ্চা জানি আমার সব কথার উত্তর দিয়া আমার লগে ফাইজলামি করতাছে..
86 ) বোকা কবুতর
এক কবুতর একটু নিচু হয়ে উড়ছিল। হঠাৎ এক গাড়ির সাথে ধাক্কা খেয়ে অজ্ঞান হয়ে গেলো। এক লোক তাকে নিয়ে গিয়ে খাঁচায় রাখল। যখন কবুতরের জ্ঞান ফিরল, তখন সে খাঁচার ভিতর নিজেকে দেখে বলল, 'হায় হায়! আমি জেলে! গাড়িওয়ালা কি মারা গেছে নাকি?'
87) নবাব সিরাজউদ্দৌলার চেয়ার!
জাদুঘরে ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত হয়ে একটা চেয়ারে বসে পড়লেন মকবুল। হায় হায় করে ছুটে এলেন জাদুঘরের কর্মীরা। বললেন, আরে, করছেন কী করছেন কী! এটা নবাব সিরাজউদ্দৌলার চেয়ার!
মকবুল : ভাই, একটু বসতে দিন। সিরাজ ভাই এলেই আমি উঠে যাবো!
88 ) বিয়া করতে চাই
নায়কঃ চৌধুরী সাহেব!! আমি আপনার মাইয়ারে বিয়া করতে চাই!
নায়িকার বাবাঃ কি!!! তোমার কি আছে যে বিয়া দিমু??
নায়কঃ আমার ফেসবুকে account আছে। -হাহা!!
নায়িকার বাবাঃ ফেসবুকে তো এখন সবারই account থাকে। আমারও আছে।
নায়কঃ হ্যাঁ! আপনার account আছে বলেইতো আপনার কাছে এসেছি।
নায়িকার বাবাঃ মানে??? কেন??? -
নায়কঃ চৌধুরী সাহেব!! আপনি ফেসবুকে জরিনা খাতুন নামে কাউরে চিনেন???
এবার চৌধুরী চমকে গেলো।
নায়িকার বাবাঃ নায়ককে কাছে ডেকে বললো… তুমি জরিনারে কেমনে চিনো???-
নায়কঃ হাহাহা… চৌধুরী সাহেব!!! জরিনা খাতুন আমার ফেক আইডি। আর সেই আইডি দিয়া আপনার লগে তিন মাস প্রেম করেছি। বেশি বারাবারি করলে আপনার দেয়া সব মেসেজ ফাঁস কইরা দিমু!! -
নায়িকার বাবাঃ ওরে কে কোথায় আছিস !!! কাজী ডাইকা আন। আইজকাই আমার মাইয়ার লগে তোমার বিয়া দিমু বাপজান
|
এই উদ্যোগটি আপনার ভাল লাগলে প্রচার কার্যে সহযোগিতা করবেন এটুকু প্রার্থনা রইল ।
|
Comments