বাংলা সুনির্বাচিত কৌতুক Bangla Selected Jokes

হাসলে নাকি আয়ু বাড়ে- তাই হাসুন, মন খুলে হাসুন, কারণ হাসলে হার্ট / হৃদয় / মন ভালো থাকে => আর মন ভালো- তো সবই ভালো।

অধিকাংশ জোকস অনলাইন থেকে সংগৃহীত- শুধুমাত্র আপনাদের আনন্দ বিধানের জন্যই এই প্রচেষ্টা, কাউকে ছোট বা হেয় করার উদ্দেশ্যে নয় ; তাই এ ব্যাপারে কারো কোন আপত্তি থাকলে এডমিনকে অবশ্যই জানাতে ভুলবেন না।

* * * Anupamasite-এ আপনাকে স্বাগতম। আপনার পছন্দমত যে কোন ধরনের লেখা বা কৌতুক পোস্ট করতে পারেন।   মানসম্মত লেখা নামসহ সাইটে স্থায়ীভাবে পাবলিশ করা হয় । ধন্যবাদ * * *

*
1) মাইয়ার জামাইরে যৌতুক দিছি

ভদ্রলোক : ওই মিয়া, তুমি না আগে রেলস্টশনে ভিক্ষা করতা, এইখানে আইছ ক্যান? ভিক্ষুক : সেই যায়গাটা মাইয়ার জামাইরে যৌতুক দিছি

2) জুতার দোকানে খাওন-

ভিক্ষুক জুতার দোকানে এসে বলল: কিছু খাওন দিবেন? দোকানদার: গাধা নাকি? জুতার দোকানে কি খাওন পাওয়া যায়? ভিক্ষুক: না মানে... পাশের দোকানে খাওন চাইয়া জুতার বাড়ি খাইছি তাই জুতার দোকানে খাওন চাইলাম ।

3) এতক্ষণ কী করতাছিলাম?

ফুটপাতে এক জোয়ান ভিক্ষুককে শুয়ে থাকতে দেখে এক লোক বলল,"ঐ ব্যাটা আরামে ঘুমায় আছস, কাম করতে পারছ না? ভিক্ষুক: কাম কইরা কী করমু? লোক: কাম করলে টাকা কামাইতে পারবি| ভিক্ষুক: টাকা কামাইয়া কী করমু? লোক: টাকা কামাইলে বাড়ি-গাড়ি হইব| ভিক্ষুক: বাড়ি- গাড়ি দিয়া কী করমু? লোক: আরামে ঘুমাইতে পারবি| ভিক্ষুক: তো আমি এতক্ষণ কী করতাছিলাম?

4 ) একটা ভিক্ষুক গেল পাঁচ তারকা হোটেলে

একটা ভিক্ষুক ভিক্ষা করে ৫০ টাকা আয়করেই চলেগেল পাঁচ তারকা হোটেলে। খাওয়া দাওয়ার পর বিল হল ৩৪২০ টাকা। ফকিরের কাছে অত টাকা না থাকায় ম্যানেজার তাকে পুলিশে দিল। ফকির পুলিশকে ৫০ টাকা ঘুষ দিয়ে বেরহয়ে আসল।

101 ) রেডিও স্টেশনে কল

বল্টু এফএম রেডিও স্টেশনে কল করল, `হ্যালো, এটা কী এফএম ৯৭.৫?`
আরজে : জ্বী, বলুন।
বল্টু : আমার কথা কি পুরো শহরে শোনা যাচ্ছে?
আরজে : হ্যাঁ, সবাই শুনতে পাচ্ছে বলুন।
বল্টু : তার মানে আমার বোন যে রেডিও শুনছে, সেও শুনতে পাচ্ছে?
আরজে : (রাগতস্বরে) আরে বেকুব হ্যাঁ।
বল্টু : হ্যালো পিংকি, যদি আমার কথা শুনতে পাস তাহলে জলদি পানির মোটর চালু কর। আমি টয়লেটে বইসা আছি আর পানি শেষ। তোর নাম্বারটাও বন্ধ। জলদি কর!


102) রোমান্টিক ছেলে

ছেলেপক্ষ গেছে মেয়েপক্ষের বাড়িতে। কথাবার্তার একপর্যায়ে ছেলে-মেয়েকে একান্তে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হলো।
মেয়ে : তো, কী সিদ্ধান্ত নিলেন?
ছেলে : সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমার একটা ইচ্ছা আছে।
মেয়ে : কী ইচ্ছা?
ছেলে : আপনার সঙ্গে একবার বৃষ্টিতে ভিজব।
মেয়ে : উফফ! আপনি কী রোমান্টিক!
ছেলে : ইয়ে মানে, আসলে ব্যাপার সেইটা না। আপনি যেই পরিমাণ ময়দা মেখেছেন, বৃষ্টিতে না ভিজলে আপনার আসল চেহারা দেখা যাবে না।


103 ) বল্টুর প্রযুক্তি

একবার বল্টু, এক আমেরিকান ও এক জাপানি প্লেনে বিদেশ যাইতেছিল। তো যেতে যেতে এক পর্যায়ে হঠাৎ কোথায় যেন বিপ বিপ শব্দ হল। তো আমেরিকান ভদ্রলোক তার হাতের এক যায়গায় চাপ দিতেই বিপ বিপ শব্দ থেমে গেল। আমেরিকান বলতেসে,"আমার হাতের নীচে মাইক্রোচিপ, এখান থেকেই আমার বাসার সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা যায়।" এবার কিছুক্ষণ পর হঠাৎ ফোনের রিংটোন বেজে উঠলো। জাপানিজ ভদ্রলোক তার কপালে চাপ দিয়ে বলতেসে,"আমার কপালের নীচে মাইক্রোচিপ। চাপ দিলেই কল করা ও রিসিভ করা যায়।" বল্টু চিন্তা করতেসে কি করা যায়, এদের কাছে কিছুতেই হার মানা যাবেনা। তো সে উঠেই টয়লেটে চলে গেল এবং আসার সময় দেখা গেল তার প্যান্টের ভেতর থেকে পিছন দিক দিয়ে বিরাট লম্বা ট্যিসু পেপার ঝুলতেসে। আমেরিকান ও জাপানী তো এই দেখে বলতেসে,"আরে বাহহ, এ আবার কোন প্রযুক্তি?"
বল্টুর উত্তর,"ও কিছুনা, ই-মেইল আসছে, প্রিন্ট দিতেছি।"


104) দাঁগ থেকে দারুন কিছু

বাবা এবং মেয়ে এর মধ্যে কথা হচ্ছে–
বাবাঃ তুই পালিয়ে বিয়ে করে আমার বংশে দাঁগ লাগিয়ে দিলি!
মেয়েঃ দাঁগ থেকে যদি দারুন কিছু হয়, তবে তো দাঁগই ভালো!


105 ) পিকচার ডায়েট

"অনেক দিন পর হোস্টেল থেকে বাড়ি ফিরেছে মৌ। ফ্রিজ খুলে সে দেখে, ফ্রিজের ভেতর ভীষণ সুশ্রী একটি মেয়ের ছবি রাখা। মৌ ছুটে গেল মায়ের কাছে, ‘মা, ফ্রিজের ভেতর একটা সুন্দরী মেয়ের ছবি রাখা দেখলাম।’ মা: হুম্। এটাকে বলে ‘পিকচার ডায়েট’। যখনই আমি কোনো খাবার নেওয়ার জন্য ফ্রিজ খুলি, মেয়েটাকে দেখলেই আমার মনে হয়, আমাকেও ওর মতো সুন্দরী হতে হবে। তখন আর খাওয়া হয় না। মৌ: বাহ্! দারুণ। তা উপকার পাচ্ছ? মা: পাচ্ছি আবার পাচ্ছি না। মৌ: কেমন? মৌ: আমার ওজন কমেছে আট কেজি। কিন্তু বারবার ফ্রিজ খোলার কারণে তোর বাবার ওজন ১০ কেজি বেড়েছে!"


106) তোরতো চুলকানি হয়েছে হারামজাদা -

আবুল গেল তার জ্যোতিষ বাবারকাছে ডান হাত বাড়িয়ে বলল, বাবা! আমার ডান হাত চুলকায়। কী আছে সামনে বলেন? জ্যোতিষ বাবা বলল, তোর অর্থ প্রাপ্তি সুনিশ্চিত!আবুল বলল, বাবা, বাম হাতও চুলকায়!বাবা বলে, কী বলিস! তোর আরও অর্থ আসবে ।আবুল আনন্দিত গলায় বলল,বাবা বাবা,আমারডান হাঁটু চুলকায়।জ্যোতিষ বলল, তোর বিদেশ যাত্রা হবে।খুশিতে গদগদ আবুল মহা উৎসাহের সাথে বলল, আমার বাম হাঁটুও চুলকায়!! বিরক্ত হয়ে জ্যোতিষী বলল, ওরে হারামজাদা, তোরতো চুলকানি হয়েছে!!

* * * এসংক্রান্ত আরও মজার কৌতুক =>> * * *


* * * Anupamasite-এ আপনাকে স্বাগতম। আপনার পছন্দমত যে কোন ধরনের লেখা পোস্ট করতে এখানে ক্লিক করুন।   আপনাদের পোস্ট করা লেখাগুলো এই লিংকে আছে, দেখতে এখানে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ * * *

জ্ঞানই শক্তি ! তাই- আগে নিজে জানুন , শেয়ার করে প্রচারের মাধ্যমে অন্যকেও জানতে সাহায্য করুন।

Say something

Please enter name.
Please enter valid email adress.
Please enter your comment.